Tuesday, 27 October 2026
শিরোনাম
কুষ্টিয়ায় জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ মো: জামাল উদ্দিন সনদ সমর্পণ না করে অন্য পেশায় যুক্ত আইনজীবীদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট ভারতে ৬১ শতাংশ মুসলিমদের ঈদের ছুটি ১ দিন, বাংলাদেশে হিন্দুদের পূজার ছুটি ৫ দিন মধ্যরাতে ডাকাতের কবলে ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানি সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ: আইজিপি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির চুম্বনের ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ায় ভারতীয় যুবক কারাগারে ‘এই চড় কোটি মানুষের প্রতিবাদের ভাষা’ কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে অ্যাড. জাকারিয়া মিলন প্রবাসীর স্ত্রীর ভিডিও ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার বিয়ের দাবিতে বিচারকের বাড়িতে শিক্ষিকার অনশন!
জেলার খবর

পাহাড়ে বছরে ৭'শত কোটি টাকার চাঁদা আদায় করছে পাহাড়ি সংগঠন

• • পঠিত 11 বার
শেয়ার করুন:
পাহাড়ে বছরে ৭'শত কোটি টাকার চাঁদা আদায় করছে পাহাড়ি সংগঠন

বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি ৩ পার্বত্য জেলায় বছরে ৭০০ কোটি টাকা চাঁদাবাজি করছে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন সংগঠন জনসংহতি সমিতি সহ অন্যান্য সশস্ত্র সংগঠন গুলো। ১৯৯৭ সালে সন্তু লারমার সাথে শান্তিচুক্তি করে বাংলাদেশ সরকার।

 

জনসংহতি সমিতি থেকে সরকারকে ৭২ টি ধারা দেওয়া হয়েছিল সেই চুক্তিতে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনে পাহাড়ি সশস্ত্র সংগঠনগুলো কে শুধু মাত্র ২টি শর্ত দিয়েছিল। শর্ত গুলো হচ্ছে- সকল অস্ত্র জমা দিতে হবে এবং সকল সন্ত্রাসীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে হবে।

 

বাংলাদেশ সরকার সেই ধারার ৭০% সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করলেও বাকি গুলো কাজ চলমান আছে। অন্যদিকে সশত্র সংগঠনগুলো সরকারের একটি শর্তও বাস্তবায়ন করতে পারেনি আজ পর্যন্ত। কিছু সংখ্যক অস্ত্র জমা দিলেও বেশিরভাগ অস্ত্র রেখে দিয়েছিল শান্তিবাহিনী।

 

সেই রেখে দেওয়া অস্ত্র দিয়ে পাহাড়ে সাধারণ মানুষদের গুম,খুন হত্যা সহ ব্যাবসায়ীদের কাছ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা চাঁদা আদায় করছে সশত্র সংগঠন গুলো। প্রতি গাড়ি কলার ছড়িতে ১০০০ হতে ২০০০ টাকা পর্যন্ত চঁাদা নিচ্ছে সশত্র সংগঠন গুলো। এই ছাড়াও ঠিকাদার ব্যবসায়ী, বাজারের মুদি দোকান, হোটেল-মোটেল, রেস্টুরেন্ট, পর্যটকবাহী গাড়ি, মালবাহী গাড়ি গুলো থেকেও চাঁদা আদায় করে এই সংগঠন গুলো।

 

সেই চাঁদার টাকা দিয়ে প্রতিনিয়ত ভারি অস্ত্র কিনছে সন্ত্রাসীরা। তাদের হাতে এখন মর্টার,একে৪৭, এলএমজি, গ্রেনেড,রকেট লঞ্চার,মাইন সহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুদ রয়েছে।

 

পাহাড় থেকে এইসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ তাড়াতাড়ি উদ্ধার করা না গেলে ভবিষ্যতে বড় রকমের হামলার আশংকা করছেন বিশ্লেষকরা। আর সেই হামলাতে সেখানে বসবাস করা ৫২% বাঙ্গালি জনগোষ্টী বেশি হুমকির মূখে আছে। সেই সাথে তুলে নেওয়া সেনা ক্যাম্প গুলো আবার প্রতিস্থাপনের দাবী জানাচ্ছে স্থানীয় বাঙ্গালি প্রতিনিধিরা।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।