Sunday, 1 November 2026
শিরোনাম
লংমার্চ ঘিরে সন্ধ্যা নামতেই কানায় কানায় পূর্ণ কুষ্টিয়ার আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম কুষ্টিয়ায় ডেঙ্গু সচেতনতা ক্যাম্পেইনে জেলা প্রশাসকের সন্তোষ প্রকাশ হাদি হত্যার বিচার না হলে ১৮ ডিসেম্বরের পর কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করল সরকার এইচএসসির ফলাফলে শাস্তির আওতায় আসছেন পরীক্ষকরা সরকারি বাসা থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ভাড়াটিয়া সরানোর কড়া নির্দেশ কুষ্টিয়ায় সম্মিলিত সামাজিক জোটের উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী ডেঙ্গু সচেতনতায় ক্যাম্পেইন চলন্ত সিএনজিতে হঠাৎ আগুন, নেভাতে গিয়ে মিলল ২৫ বোতল ভারতীয় মদ কলেজের মালামাল চুরির অভিযোগে কলেজ ছাত্রদল সভাপতিকে বহিষ্কার দাবি না মানলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে: জামায়াত আমির
জেলার খবর

হোমওয়ার্ক না করায় মাদরাসাছাত্রকে ইস্ত্রির ছ্যাঁকা

• • পঠিত 7 বার
শেয়ার করুন:
হোমওয়ার্ক না করায় মাদরাসাছাত্রকে ইস্ত্রির ছ্যাঁকা

কুমিল্লায় হোমওয়ার্ক না করায় এক মাদরাসাছাত্রের শরীরে ইস্ত্রির ছ্যাঁকা দিয়ে ঝলসে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুইজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে। সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে ওই মাদরাসায় অভিযান চালিয়ে আতিকুল ইসলাম নামের অভিযুক্ত এক শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।

কুমিল্লার হোমনা উপজেলার নয়াকান্দি মমতাজিয়া আছমতিয়া হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানায় এ ঘটনা ঘটে। হোমনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ভুক্তভোগী আব্দুল কাইয়ুম (১৪) ওই মাদরাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষার্থী ও ওই এলাকার আব্দুল কাদিরের ছেলে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, আব্দুল কাইয়ুম ওই মাদরাসার আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে হিফজ বিভাগে অধ্যয়নরত আছে। গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে কাইয়ুম হোমওয়ার্ক না করায় শিক্ষক আতিকুল ইসলাম এবং সাইফুল ইসলাম ওই মাদরাসার তিন ছাত্রের সাহায্যে তাকে ইস্ত্রি দিয়ে ছ্যাঁকা দেন। এতে কাইয়ুমের শরীরে পেছনের অংশ ঝলসে যায়। পরে মাদরাসা থেকে তার পরিবারকে খবর দেওয়া হয়। অভিযুক্ত শিক্ষক কাইয়ুমের পরিবারকে জানায়, কাইয়ুমের শরীরে গরম পানি পড়ে ঝলসে গেছে। পরে তার স্বজনরা তাকে বাড়িতে নিয়ে যান।

 

সোমবার বিকেলে পরিবারকে পুরো ঘটনা খুলে বলে কাইয়ুম। পরে তাকে দ্রুত হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনা জানাজানি হলে গ্রামের মানুষের সহযোগিতায় ভুক্তভোগী ছাত্রের মা হাফেজা বেগম থানায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক সাইফুল ইসলাম ও আতিকুল ইসলামসহ তিন শিক্ষার্থীর নামে লিখিত অভিযোগ দেন।

 

অভিযোগের পর সোমবার রাতে ওই মাদরাসায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক আতিকুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় অন্য শিক্ষক সাইফুল এবং বাকি ৩ শিক্ষার্থী পালিয়ে যায়।

 

ওসি জয়নাল আবেদীন বলেন, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে মাদরাসা শিক্ষক আতিকুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে মঙ্গলবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের আটকের অভিযান চলছে।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।