Sunday, 1 November 2026
শিরোনাম
লংমার্চ ঘিরে সন্ধ্যা নামতেই কানায় কানায় পূর্ণ কুষ্টিয়ার আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম কুষ্টিয়ায় ডেঙ্গু সচেতনতা ক্যাম্পেইনে জেলা প্রশাসকের সন্তোষ প্রকাশ হাদি হত্যার বিচার না হলে ১৮ ডিসেম্বরের পর কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করল সরকার এইচএসসির ফলাফলে শাস্তির আওতায় আসছেন পরীক্ষকরা সরকারি বাসা থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ভাড়াটিয়া সরানোর কড়া নির্দেশ কুষ্টিয়ায় সম্মিলিত সামাজিক জোটের উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী ডেঙ্গু সচেতনতায় ক্যাম্পেইন চলন্ত সিএনজিতে হঠাৎ আগুন, নেভাতে গিয়ে মিলল ২৫ বোতল ভারতীয় মদ কলেজের মালামাল চুরির অভিযোগে কলেজ ছাত্রদল সভাপতিকে বহিষ্কার দাবি না মানলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে: জামায়াত আমির
জেলার খবর

মেয়ের চিকিৎসায় জমি বিক্রি করায় বউয়ের হাতে শাশুড়ি খুন

• • পঠিত 9 বার
শেয়ার করুন:
মেয়ের চিকিৎসায় জমি বিক্রি করায় বউয়ের হাতে শাশুড়ি খুন

সিরাজগঞ্জে উল্লাপাড়া উপজেলার দহকুলা গ্রামে অসুস্থ মেয়ের চিকিৎসার জন্য জমি বিক্রি করায় ছেলের বউয়ের হাতে শাশুড়ি খুন হয়েছে। হত্যার সাত বছর পর এই রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত পুত্রবধূ নাজমা খাতুন (৫৫) আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

 

এর আগে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই।

 

হত্যাকাণ্ডের শিকার বৃদ্ধা মোমেনা বেওয়া (৮০) উপজেলার দহকুলা গ্রামের মৃত আব্দুল গনির স্ত্রী। সোমবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার রেজাউল করিম। তিনি জানান, ভিকটিম মোমেনা বেওয়ার স্বামীর মৃত্যুর পর পুত্রবধূ নাজমা খাতুন ও নাতিদের সঙ্গে বসবাস করতেন। বৃদ্ধ মোমেনা বেওয়ার নামে কিছু জমি ছিল।

 

কিন্তু বৃদ্ধার মেয়ে সালমা খাতুন অসুস্থ হওয়ায় তার চিকিৎসার জন্য কিছু জমি বিক্রি করেন। এছাড়াও পুত্রবধূ নাজমা খাতুন অন্য এক ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছিল।

 

এই দুটি ঘটনা নিয়ে পুত্রবধূ ও নাতিদের সঙ্গে বৃদ্ধা মোমেনা বেওয়ার মনমালিন্য হয়। এরই জেরে বৃদ্ধা মোমেনা বেওয়ার হত্যার পরিকল্পনা করে পুত্রবধূ ও নাতিরা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ২৭ মে রাতে বৃদ্ধা মোমেনা বেওয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করে পরনের শাড়ি দিয়ে ঘরের মধ্যে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখে। পরে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রচার-প্রচারনা চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে।

 

এ ঘটনায় বৃদ্ধার মেয়ের জামাই মাহবুবুল আলম বুলু বাদী হয়ে উল্লাপাড়া থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ময়না তদন্ত রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, বৃদ্ধ মোমেনা বেওয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর নিহত মোমেনা বেওয়ার আরেক নাতী আমিরুল ইসলাম বাবু বাদী হয়ে তিন জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

 

মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত। দীর্ঘ ২ বছর ৯ মাস তদন্ত চলাকালে ঘটনার সঙ্গে জড়িত নিহতের পুত্রবধু নাজমা খাতুনকে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনী থেকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। গত ১৬ সেপ্টেম্বর তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।