Tuesday, 27 October 2026
শিরোনাম
সনদ সমর্পণ না করে অন্য পেশায় যুক্ত আইনজীবীদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট ভারতে ৬১ শতাংশ মুসলিমদের ঈদের ছুটি ১ দিন, বাংলাদেশে হিন্দুদের পূজার ছুটি ৫ দিন মধ্যরাতে ডাকাতের কবলে ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানি সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ: আইজিপি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির চুম্বনের ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ায় ভারতীয় যুবক কারাগারে ‘এই চড় কোটি মানুষের প্রতিবাদের ভাষা’ কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে অ্যাড. জাকারিয়া মিলন প্রবাসীর স্ত্রীর ভিডিও ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার বিয়ের দাবিতে বিচারকের বাড়িতে শিক্ষিকার অনশন! বিধবা নারীর সঙ্গে প্রেম: মামাকে রাস্তা থেকে সরাতে ডেকে নিয়ে খুন করল ভাগিনা!
জেলার খবর

বেঁকে যাওয়া রেললাইন ঠান্ডা করতে কচুরিপানা

• • পঠিত 7 বার
শেয়ার করুন:
বেঁকে যাওয়া রেললাইন ঠান্ডা করতে কচুরিপানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের দাড়িয়াপুর এলাকায় রেললাইনটিতে টানা ৩০ ঘণ্টা কর্মযজ্ঞ শেষে মেরামত করা লাইনসহ দুই জায়গায় তীব্র গরমে আবারও বাঁকা হয়ে গেছে। এ ঘটনার পর রেললাইন ঠান্ডা করতে পানি ঢেলে কচুরিপানা দেয় রেলওয়ে কর্মীরা।

 

শনিবার (২৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় ওই রেললাইনটি ফের বাঁকা হওয়ার খবর পায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন কর্তৃপক্ষ। পরে একই দিন বেলা ১১টা থেকে আপলাইনে ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম ও সিলেটের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

 

জানা গেছে, শনিবার বেলা ১১টায় রেললাইন বেঁকে যাওয়ার ঘটনা জানতে পারে রেল কর্তৃপক্ষ। এ সময় আপলাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সদর উপজেলার হরণ এলাকায়ও রেললাইন বেঁকে যাওয়ার বিষয়টি নজরে আসে রেলওয়ে কর্মীদের।

 

এদিকে বারবার একই জায়গায় লাইন বেঁকে যাওয়ার কারণ হিসেবে অতিরিক্ত তাপমাত্রার কথা বলছে রেল কর্তৃপক্ষ। মূলত রেললাইনে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলেই বেঁকে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। শনিবার দাড়িয়াপুরে প্রায় ৫০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় বেঁকে যায় ওই রেললাইন। এ ঘটনার পর রেললাইন ঠান্ডা করতে পানি ঢেলে কচুরিপানা দেয় কর্মীরা।

 

এ বিষয়ে আখাউড়া রেলওয়ের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান আহমেদ তারেক জানান, ‘দাড়িয়াপুরে দ্বিতীয়বার লাইন বেঁকে যাওয়ার পেছনে ভিন্ন কোনো কারণ নেই। অতিরিক্ত গরমেই বেঁকে গেছে। ডাউন এবং আপ- দুই লাইনেই নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কাঠের স্লিপারগুলো বদলে কংক্রিটের স্লিপার বসানো হচ্ছে। আর যেন লাইন না বেঁকে যায় এজন্য ধরনের সব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ‘তাপমাত্রা কমলে এবং কংক্রিটের স্লিপার লাগানোর পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। কাঠের স্লিপারগুলোর লোড নেওয়ার সক্ষমতা কিছুটা কম, যার জন্য বাঁকা হয়ে যায়।’

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।