Sunday, 1 November 2026
শিরোনাম
লংমার্চ ঘিরে সন্ধ্যা নামতেই কানায় কানায় পূর্ণ কুষ্টিয়ার আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম কুষ্টিয়ায় ডেঙ্গু সচেতনতা ক্যাম্পেইনে জেলা প্রশাসকের সন্তোষ প্রকাশ হাদি হত্যার বিচার না হলে ১৮ ডিসেম্বরের পর কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করল সরকার এইচএসসির ফলাফলে শাস্তির আওতায় আসছেন পরীক্ষকরা সরকারি বাসা থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ভাড়াটিয়া সরানোর কড়া নির্দেশ কুষ্টিয়ায় সম্মিলিত সামাজিক জোটের উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী ডেঙ্গু সচেতনতায় ক্যাম্পেইন চলন্ত সিএনজিতে হঠাৎ আগুন, নেভাতে গিয়ে মিলল ২৫ বোতল ভারতীয় মদ কলেজের মালামাল চুরির অভিযোগে কলেজ ছাত্রদল সভাপতিকে বহিষ্কার দাবি না মানলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে: জামায়াত আমির
জেলার খবর

বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গলায় জুতার মালা পরিয়ে লাঞ্ছিত

• • পঠিত 9 বার
শেয়ার করুন:
বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গলায় জুতার মালা পরিয়ে লাঞ্ছিত

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই কানুকে গলায় জুতার মালা পরিয়ে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে চৌদ্দগ্রামের কুলিয়ারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যায়, স্থানীয় কিছু ব্যক্তি মুক্তিযোদ্ধা কানুকে গলায় জুতার মালা পরিয়ে তাকে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করছে। ভিডিওতে জামায়াত সমর্থক আবুল হাসেমের নেতৃত্বে কয়েকজন স্থানীয় যুবক মুক্তিযোদ্ধাকে হেনস্তা করে এবং তাকে কুমিল্লা ছাড়া হওয়ার হুমকি দেয়।

   

বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই কানু চৌদ্দগ্রামের বাতিসা ইউনিয়নের লুদিয়ারা এলাকার বাসিন্দা এবং কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন, তবে কিছুদিন আগে সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের সাথে বিরোধে জড়িয়ে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। এই বিরোধের জের ধরেই তাকে হেনস্তা করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, মুক্তিযোদ্ধা কানু গলায় জুতার মালা পরিয়ে তাকে এলাকায় থাকার জন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ সময় তিনি জুতার মালা সরিয়ে দিয়ে জানান, “আমি আর এখানে আসব না।”

মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই কানু সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘আমি কখনোই তাদের ক্ষতি করিনি, বরং আওয়ামী লীগের এমপির রোষানলে পড়ে ৮ বছর এলাকা ছাড়া ছিলাম।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘বিচার তো কোথায় পাব? তারা জামায়াতের রাজনীতি করে, আর আমি আওয়ামী লীগ করি।’’

 

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি এটিএম আক্তারুজ্জামান জানান, ‘‘ঘটনার পর মুক্তিযোদ্ধা কানু মোবাইল ফোনে আমাকে বিষয়টি জানান। তবে তিনি প্রথমে অভিযোগ করতে চাননি, কিন্তু ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর তাকে আবারও অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।’

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।