Tuesday, 27 October 2026
শিরোনাম
সনদ সমর্পণ না করে অন্য পেশায় যুক্ত আইনজীবীদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট ভারতে ৬১ শতাংশ মুসলিমদের ঈদের ছুটি ১ দিন, বাংলাদেশে হিন্দুদের পূজার ছুটি ৫ দিন মধ্যরাতে ডাকাতের কবলে ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানি সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ: আইজিপি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির চুম্বনের ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ায় ভারতীয় যুবক কারাগারে ‘এই চড় কোটি মানুষের প্রতিবাদের ভাষা’ কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে অ্যাড. জাকারিয়া মিলন প্রবাসীর স্ত্রীর ভিডিও ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার বিয়ের দাবিতে বিচারকের বাড়িতে শিক্ষিকার অনশন! বিধবা নারীর সঙ্গে প্রেম: মামাকে রাস্তা থেকে সরাতে ডেকে নিয়ে খুন করল ভাগিনা!
জেলার খবর

পদে থেকেই বিয়ে করলেন ছাত্রলীগ নেতা

• • পঠিত 8 বার
শেয়ার করুন:
পদে থেকেই বিয়ে করলেন ছাত্রলীগ নেতা

সাধারণ সম্পাদক পদে বহাল থেকেই বিয়ে করেছেন নীলফামারী জেলা ছাত্রলীগের নেতা মাসুদার রহমান মাসুদ সরকার। জেলা ছাত্রলীগের পদে থেকেও বিয়ে করায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বইছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়। এদিকে তার বিয়ের ও কার্ডের একাধিক ছবি ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে।

 

বৃহম্পতিবার (২৭ এপ্রিল) রাতে একেবারে জাঁকজমক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এই ছাত্রলীগ নেতা। তার বিয়েতে নীলফামারী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ, সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবুজার রহমান, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মসফিকুল ইসলাম রিন্টু, সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন মুনসহ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিবাহিতদের বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কোনো পর্যায়ের কমিটিতে স্থান পাওয়ার কোনো বিধান নেই। গঠনতন্ত্রে আছে বিবাহিত, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ব্যক্তি ছাত্রলীগের কমিটিতে থাকতে পারবেন না। কমিটিতে ঢোকার পর বিয়ে করার অভিযোগ উঠলে পদ বাতিলের কথাও বলা হয়েছে। কিন্তু অদৃশ্য ক্ষমতাবলে মাসুদ সরকারের পদ এখনো বহাল রয়েছে। এ নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে জেলা ছাত্রলীগের মধ্যে।

 

২০১৭ সালের কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদ পান মাসুদ। সেই কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও দেওয়া হয়নি নতুন কমিটি। এর ফলে তিনি এখনও তার পদে বহাল আছেন।

 

জেলা ছাত্রলীগের দায়িত্বপূর্ণ পদে থেকেও বিয়ের বিষয়ে জানতে মাসুদ সরকারের মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হয়। তিনি ফোন রিসিভ করে সাংবাদিকের পরিচয় পেয়ে কলটি কেটে দেন। এরপর তিনি আর কল রিসিভ করেননি।

 

এ বিষয়ে নীলফামারী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মনিরুল হাসান শাহ আপেল দ্যা ডেইলি মিরর অব বাংলাদেশকে বলেন, বিয়ের বিষয়টা সবাই জানে। এ বিষয়ে আমি আপাতত কেনো মন্তব্য করতে চাচ্ছি না।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।