Tuesday, 27 October 2026
শিরোনাম
সনদ সমর্পণ না করে অন্য পেশায় যুক্ত আইনজীবীদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট ভারতে ৬১ শতাংশ মুসলিমদের ঈদের ছুটি ১ দিন, বাংলাদেশে হিন্দুদের পূজার ছুটি ৫ দিন মধ্যরাতে ডাকাতের কবলে ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানি সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ: আইজিপি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির চুম্বনের ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ায় ভারতীয় যুবক কারাগারে ‘এই চড় কোটি মানুষের প্রতিবাদের ভাষা’ কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে অ্যাড. জাকারিয়া মিলন প্রবাসীর স্ত্রীর ভিডিও ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার বিয়ের দাবিতে বিচারকের বাড়িতে শিক্ষিকার অনশন! বিধবা নারীর সঙ্গে প্রেম: মামাকে রাস্তা থেকে সরাতে ডেকে নিয়ে খুন করল ভাগিনা!
জেলার খবর

আজ পানছড়ি গণহত্যা দিবস

• • পঠিত 8 বার
শেয়ার করুন:
আজ পানছড়ি গণহত্যা দিবস

১৯৮৬ সালের এই দিনে খাগড়াছড়ির পানছড়িতে বসবাসরত নিরীহ বাঙালীদের জীবনে নেমে আসে নৃশংস, বীভৎস, এক কালরাত্রি । রাত আনুমানিক ৯টায় বর্বর শান্তিবাহিনী(জনসংহতি সমিতি) নিরস্ত্র নিরিহ শান্তিপ্রিয় বাঙালিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ।

 

১৯৮৬ সালের ২৯শে এপ্রিল দিবাগত রাঁত আনুমানিক ৯টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত মোট ৪ঘন্টা ব্যাপী খাগড়াছড়ি জেলার সীমান্তবর্তী পানছড়ি উপজেলা‘র ১নং লোগাং ইউনিয়ন, ৩নং পানছড়ি সদর ইউনিয়ন ও ৪নং লতিবান ইউনিয়নের বাঙ্গালি গ্রাম গুলোতে অগ্নি সংযোগসহ নির্বাচারে গণহত্যা চালায় ।

 

শিশু, কিশোর, নারী, পুরুষ, আবাল, বৃদ্ধ, বনিতা যাকে যেখানে পেয়েছে তাকে সেখানেই হত্যা করে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন তৎকালীন পার্বত্য চট্রগ্রাম জন সংহতি সমিতি (জেএসএস)‘র অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা । বে-সরকারী হিসাবে মাত্র ৪ঘন্টা সময়ে নিরস্ত্র ও নিরীহ ৮শত ৫৩ জন বাঙ্গালীকে হত্যা করা হয়, আহত হয় প্রায় ৫শত জন ।

 

এই হামলায় এতগুলো মানুষ কে হত্যা করার জন্য সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন শান্তি বাহিনী‘র সন্ত্রাসীরা একটি গুলিও খরচ করেনি, নীরিহ বাঙ্গালিদের হাত-পা বেঁধে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে, দা দিয়ে কুপিয়ে, জবাই করে, আগুনে পুড়িয়ে, শিশুদেরকে পায়ে ধরে আছাড় মেরে, রাইফেলের বেয়োনেট ও অন্যান্য দেশি অস্ত্র দিয়ে খুচিয়ে খুচিয়ে আঘাত করে হত্যা করেছিল ।

 

প্রতিটি লাশকেই বিকৃত করে সে দিন চরম অমানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল শান্তি বাহিনীর সন্ত্রাসীরা ।১৯৯৭ সাল পর্যন্ত শান্তি চুক্তির আগ পর্যন্ত পাহাড়ে শান্তি বাহিনী নামক সন্ত্রাসীদের এরকম নির্মম হত্যাযজ্ঞ চলতে থাকে। সেসব ভুক্তভোগীদের পরিবার আজো বিচার পাননি।

 

বেসরকারি হিসাবে ১৯৭৩ সাল থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত প্রায় ৩০ হাজার বাঙ্গালী ও ২৫০ জনের অধিক সেনা সদস্যকে হত্যা করেছে জনসংহতি সমিতি।

 

১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর হবার পরে ১৯৯৯ সালে পাহাড়ি জনসংহতি সমিতির ষষ্ঠ মহা-সম্মেলনে শান্তিবাহিনীকে আনুষ্ঠানিক বিলুপ্তি ঘোষণা করা হলেও আজ পর্যন্ত শান্তিবাহিনী তাদের অস্ত্রের মহড়া ও চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে এবং প্রতিনিয়ত পাহাড়ে বাঙ্গালিরা নানান সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।