Monday, 26 October 2026
শিরোনাম
কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে অ্যাড. জাকারিয়া মিলন প্রবাসীর স্ত্রীর ভিডিও ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার বিয়ের দাবিতে বিচারকের বাড়িতে শিক্ষিকার অনশন! বিধবা নারীর সঙ্গে প্রেম: মামাকে রাস্তা থেকে সরাতে ডেকে নিয়ে খুন করল ভাগিনা! সেনাবাহিনীর পোশাকে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, স্বর্ণ-টাকা লুট টঙ্গীর সেই মাদ্রাসা শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর মেলান্দহে ভূমি অফিসের নিলামকৃত গাছ কাটা নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন বিতর্কের মুখে ষষ্ঠ শ্রেণির বই থেকে বাদ ‘দাঁড়িপাল্লা’, জ্ঞানের পিরামিডে থাকছে না কোনো আইকন প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তা আবারও যমুনা সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ
জেলার খবর

সেতু আছে, সংযোগ সড়ক নেই!

• • পঠিত 10 বার
শেয়ার করুন:
সেতু আছে, সংযোগ সড়ক নেই!

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় রাস্তার খালের ওপর এক ব্রিজ নির্মাণ করা হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় ব্রিজটি এলাকাবাসীর কোনো কাজে আসছে না। ফলে সরকারিভাবে প্রায় ৩২ লাখ টাকা ব্যয় করে নির্মিত ব্রিজটি অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে। উদ্বোধনের প্রায় চার বছর বছর হলেও এ ব্রীজে সুফল পাচ্ছেন না কেউই।

 

ব্রীজ নির্মাণের চার বছরেও রাস্তা নির্মাণে কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়ায় ক্ষুব্ধ ওই এলাকার লোকজন। এদিকে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বলছেন রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছিলো বন্যায় তা ভেঙ্গে গেছে।

 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে উপজেলার নাংলা ইউনিয়নের বাগুরপাড়া এলাকার কনক রাইচ মিলের পাশে ২০১৯-২০ অর্থ বছরে ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, চার বছর আগে ব্রীজটি নির্মাণ হলেও এক পাশের সংযোগ সড়ক না হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে রয়েছে তারা।

 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে, ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়। ৩৮ ফুট দৈর্ঘ্যের ব্রীজটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছিলো প্রায় ৩২ লক্ষ টাকা।

 

স্থানীয়রা জানান, ব্রীজ নির্মাণের পরে এক পাশের সংযোগ সড়কে এক কোদাল মাটিও কাটা হয়নি। সংযোগ সড়ক না হওয়ায় ধানখেতের আইল দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে তাদের। খেতের আইল দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে পড়ে গিয়ে ব্যথাও পেয়েছেন অনেকে। বর্ষাকালে আবার এসুযোগ টুকুও থাকেনা অনেক দুর দিয়ে যাতায়াত করতে হয় তাদের।

 

এতে মালামাল বহনে গুনতে হয়ে অতিরিক্ত টাকা। ব্রীজের সংযোগ সড়ক হলে বয়রাডাঙ্গা, উত্তর পাড়া ও বাগুরপাড়া সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ নিরাপদে যাতায়াত করতে পারবে বলেও জানান স্থানীয়রা।

 

বাগুরপাড়া এলাকার দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী জিহাদ মিয়া বলেন,'ব্রীজ হলেও ব্রীজ দিয়ে যাতায়াত করতে পারি না সড়ক না থাকায়। ধান খেতের আইল দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। বৃষ্টির দিনে আইল দিয়ে যাওয়া যায় না খুব কষ্ট করে যেতে হয়। ব্রীজের সংযোগ সড়ক হলে আমাদের জন্য যাতায়াত খুব সহজ হবে। আমরা গাড়ি নিয়ে যাতায়াত করতে পারব।

 

এলাকার আব্দুল গফুর জানান , ব্রীজের সংযোগ সড়ক না থাকায় চলাফেরা করতে নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হয়। জনস্বার্থের সেতুটি দীর্ঘদিন জনদুর্ভোগে পরিনিত হয়ে আছে। সবাই আশ্বাস দিলেও আজও বাস্তবায়ন হয়নি অসমাপ্ত কাজ।

 

কৃষক হামেদ আলী বলেন,'সরকার আমাদের এ ধরনের ব্রীজ দিয়ে আরও লজ্জিত করেছে। চার বছর আগে ব্রীজ হলেও একদিনও চলতে পারি নাই এই ব্রিজ দিয়ে। আগেই ভালো ছিলো।

 

এ বিষয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন,'রাস্তায় মাটি কাটা হয়েছিল বন্যায় ভেঙে গেছে। মাটি কাটার কোনো চিহ্নই তো নেই এ প্রশ্নে তিনি নিশ্চুপ হয়ে অফিস ত্যাগ করেন।

 

উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিম মিঞা বলেন, সরেজমিনে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।