Saturday, 31 October 2026
শিরোনাম
বগুড়ায় শ্যামলী পরিবহনের বাস হেলপারের ব্যাগ থেকে ২,৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার। বগুড়ায় আইনজীবী সহকারী সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত। পাবনায় বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু বারিধারায় গাড়িচাপায় শ্রমিক নিহত: জামিন পেল অভিযুক্ত কিশোর রাজধানীর কলাবাগান বাস স্ট্যান্ড এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ,আটক ৪ বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ বাইন্যান্সে সাইবার হামলা বছরে এক লাখ কর্মী নেওয়ার সম্মতি দেয়নি জাপান, জানাল টোকিও জয়ের পর ফুল নিয়ে জামায়াত প্রার্থীর বাসায় গেলেন মির্জা ফয়সল আমীন সোনারগাঁওয়ে ইয়াবাসহ দুই নারী কারবারি গ্রেপ্তার
জেলার খবর

মসজিদে সুদ-ঘুষের বয়ান করায় ইমামকে পেটালেন সেক্রেটারি!

• • পঠিত 10 বার
শেয়ার করুন:
মসজিদে সুদ-ঘুষের বয়ান করায় ইমামকে পেটালেন সেক্রেটারি!

মসজিদে জুমার নামাজের খুতবায় সুদ ও ঘুষের বিরুদ্ধে আলোচনা চলাকালে দুই শিক্ষক কর্তৃক ইমামকে মাইকের স্ট্যান্ড দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর ইমামের সমর্থকরা প্রতিশোধ হিসেবে কয়েকটি বাড়ি ভাঙচুর করেন।

 

শুক্রবার কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার এতবারপুর ইউনিয়নের বানিয়াচং গ্রামের খন্দকার বাড়ির জামে মসজিদের হুজরাখানায় এ ঘটনা ঘটে। আহত ইমাম মো. হাসান মুরাদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার দড়িকান্দি এলাকার বাসিন্দা।

 

তিনি চান্দিনার বানিয়াচং খন্দকার বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

 

হামলাকারীরা হলেন চান্দিনার বানিয়াচং গ্রামের মৃত মোহর আলীর ছেলে মো. নূরুল ইসলাম ও জাকির হোসেন। নূরুল ইসলাম ওই মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক এবং মহেশপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। অন্যদিকে জাকির হোসেন খোববাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।

 

জানা যায়, ওই মসজিদের ইমাম শুক্রবার খুতবায় সুদ ও ঘুষের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন। তার এই বক্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে মসজিদ কমিটির সদস্যরা তাকে মসজিদ থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এর পরই মসজিদের মাইকের স্ট্যান্ড দিয়ে তাকে মারধর করা হয়।

 

এ ঘটনার পর শনিবার সন্ধ্যায় ইমামের ওপর হামলাকারী দুই শিক্ষক এবং ইউপি মেম্বারের বাড়িতে হামলা চালিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতা বাড়ি ঘর ভাঙচুর করে।

 

ইমাম মো. হাসান মুরাদ বলেন, ‘আমি সুদ ও ঘুষের বিরুদ্ধে কথা বলি। আর এটাকে কোনোভাবেই মানতে পারছেন না হাতে গোনা কয়েকজন। আমি তাদের অনুরোধ করে বলেছি, আমি রমজান মাস থেকে নিজেই চলে যাব। কিন্তু তারা আমাকে মারধর করে কক্ষে থাকা ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা নিয়ে যান।’

 

এ ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত নূরুল ইসলাম মাস্টার বলেন, ‘ওই ইমামকে এলাকার বেশ কিছু মানুষ ভালোভাবে গ্রহণ করছে না। মুসল্লিদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে মসজিদ থেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। শনিবার তাকে আমরা বুঝিয়ে বিদায় করতে গেলে তিনি আমার চোখে আঘাত করেন।’

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাজমুল হুদা বলেন, ‘ইমামকে মারধরের ঘটনার পর এলাকাবাসী কিছু ব্যক্তির বাড়িতে হামলা করেছে। উভয় পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন এবং তদন্ত চলছে।’

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।