Saturday, 31 October 2026
শিরোনাম
বগুড়ায় শ্যামলী পরিবহনের বাস হেলপারের ব্যাগ থেকে ২,৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার। বগুড়ায় আইনজীবী সহকারী সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত। পাবনায় বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু বারিধারায় গাড়িচাপায় শ্রমিক নিহত: জামিন পেল অভিযুক্ত কিশোর রাজধানীর কলাবাগান বাস স্ট্যান্ড এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ,আটক ৪ বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ বাইন্যান্সে সাইবার হামলা বছরে এক লাখ কর্মী নেওয়ার সম্মতি দেয়নি জাপান, জানাল টোকিও জয়ের পর ফুল নিয়ে জামায়াত প্রার্থীর বাসায় গেলেন মির্জা ফয়সল আমীন সোনারগাঁওয়ে ইয়াবাসহ দুই নারী কারবারি গ্রেপ্তার
জেলার খবর

নিয়োগ পেয়েও চাকরিতে যোগদান করতে না পারায় শ্রমিকদের অনশন

• • পঠিত 10 বার
শেয়ার করুন:
নিয়োগ পেয়েও চাকরিতে যোগদান করতে না পারায় শ্রমিকদের অনশন

দেবীগঞ্জে প্রজনন বীজ উৎপাদন কেন্দ্রে মৌসুমী শ্রমিক হিসেবে অনুমোদন পাওয়া ৬০ জন শ্রমিক চাকরিতে যোগদানের দাবিতে অনশন শুরু করেছেন। দীর্ঘদিন অপেক্ষার পরও কাজে যোগদানের সুযোগ না পাওয়ায় তারা এ আন্দোলনে নেমেছেন।

 

রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে দেবীগঞ্জ প্রজনন বীজ উৎপাদন কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে অনশনে বসেন আন্দোলনরত শ্রমিকেরা।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি কৃষি ইনস্টিটিউট থেকে ৬০ জন শ্রমিককে 'কাজ নাই মজুরি নাই' ভিত্তিতে মৌসুমী শ্রমিক হিসেবে নিয়োগের অনুমতি দেয়া হয়। তবে অনুমতি পাওয়ার পরও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা তাদের যোগদান করাননি। গত ৩ ফেব্রুয়ারি যোগদান ইস্যুতে উত্তেজনা চরমে ওঠে। দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।

এদিকে নিয়োগপ্রাপ্ত ৬০ জন শ্রমিকের কাজে যোগদান নিয়ে বাধা সৃষ্টি করছে অপর একটি গ্রুপ। ওই গ্রুপের সদস্য সংখ্যা প্রায় ৮০ জন। জামিরুল, বিষু মিয়া, মিলনসহ বেশ কয়েকজন অভিযোগ করেন, অপর গ্রুপটি বিএনপির দলীয় প্রভাব বিস্তার করে এবং তাদের গ্রুপের সদস্যরা বাদ পড়ায় তারা নিয়োগপ্রাপ্তদের যোগদানে বাধা সৃষ্টি করছেন। অথচ তাদের যোগদানের বৈধ কোন কাগজ নেই।

রোববার সরেজমিন সকাল ৭টায় বীজ প্রজনন কেন্দ্রে গেলে দেখা যায়, অনুমতিপ্রাপ্ত ৬০ জন শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অফিসের সামনে অপেক্ষা করছেন। পরে মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. অমল কুমার দাস অফিসে না আসায় সকলে তাঁর বাসভবনে যান।

পরে মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. অমল কুমার দাস শ্রমিকদের সাথে কথা বলতে বাসা থেকে বেড়িয়ে আসেন। এই সময় তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, আমি যোগদান করাতে গেলে বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে। আমার চাকরিও চলে যেতে পারে। এর আগে মারামারির ঘটনা পর্যন্ত ঘটেছে এখানে। আমার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েও কোন সমাধান পাইনি। ২০১৩ সালে একই অর্ডার হলেও তখনো তারা যোগদান করতে পারেনি। এখন আমাকে চাপ দিচ্ছে।

কেউ বাধা দিচ্ছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপির লোকজন বাধা দিচ্ছে। এই সময় সফিকুল নামে এক ব্যক্তির কথা বলেন তিনি। যিনি এখানকার চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক ও বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত রয়েছেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সফিকুল বলেন, এখানে দলীয় প্রভাব খাটানো হয়নি। আমরা বঞ্চিত। স্বজনপ্রীতি করে এলাকার মানুষকে নিয়োগ না দিয়ে চিলাহাটি, টেপ্রীগঞ্জের মানুষকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আমরা চাই আমাদের নিয়োগ যেন দ্রুত দেয়া হয়।

স্থানীয়রা মনে করছেন, দ্রুত সমাধান না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি তুলেছেন সাধারণ মানুষ।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।