Friday, 30 October 2026
শিরোনাম
জুয়ার টাকা জোগাড়ে ইমামতির চাকরি, ১৫ লাখ টাকা নিয়ে উধাও; অবশেষে গ্রেপ্তার সম্মিলিত সামাজিক জোটের উদ্যোগে ডেঙ্গু সচেতনতা বিষয়ক ক্যাম্পেইন সেদিন তাহসিফের সঙ্গে ৬ ঘণ্টা ছিলেন দ্বীপ, হত্যার সন্দেহ বাবার ইউপি নির্বাচন: আচরণবিধি লঙ্ঘনে প্রার্থিতা বাতিল, সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ মিললো তুরাগে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড বাবার মৃত্যুর ১৫ মিনিট পর জন্ম নিল পুত্রসন্তান, ‘আনন্দে’ বিষাদের ছায়া! কুমারখালীতে ৩১ মেধাবী শিক্ষার্থীকে সম্মাননা ও নগদ অর্থ প্রদান কবরের দুই ফেরেশতার প্রশ্ন নিয়ে প্রচলিত বিশ্বাসে আপত্তি, ইসলামি বক্তাকে গুলি করে হত্যা লগি-বৈঠার সহিংসতার বিচার দাবি জামায়াতের
জেলার খবর

ওজু করতে না চাওয়ায় ছাত্রীকে মেরে অজ্ঞান করলেন মাদ্রাসা সুপার!

• • পঠিত 8 বার
শেয়ার করুন:
ওজু করতে না চাওয়ায় ছাত্রীকে মেরে অজ্ঞান করলেন মাদ্রাসা সুপার!

ছাত্রদের সঙ্গে পুকুরে ওজু করতে না যাওয়ায় বাগোরহাটের শরণখোলায় নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে বেধড়ক মারধর করেছেন খাজা এজিএম দাখিল মাদরাসার সুপার।

মারধরের এক পর্যায়ে ওই ছাত্রী অজ্ঞান হয়ে যান। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (২৬ জুলাই) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

আহত শিক্ষার্থীর নাম আবিদা সুলতানা। সে শরণখোলা উপজেলার উত্তর তাফালবাড়ি গ্রামের মাওলানা এমাদুল হকের মেয়ে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা মাদরাসা সুপার মাওলানা ওবায়দুল হক সেলিমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

আহত আবিদা সুলতানা বলেন, আমাদের মাদরাসা সুপার মাওলানা ওবায়দুল হক হুজুর দুপুরে সব শিক্ষার্থীদের এক সঙ্গে পুকুরে ওজু করতে যেতে বলে। ছেলেদের সামনে মুখ খুলতে হবে তাই পুকুরে ওজু করতে যেতে চাইনি। তাই হুজুর আমাকে মাদরাসা ভবনের দোতলা থেকে মারতে মারতে পুকুরের কাছে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে পিঠে মাথায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করতে থাকে। আমাকে পুকুরের ঘাটের পাশে একটি গাছের উপর নিয়ে ফেলে দেন। আমি সেখানে অজ্ঞান হয়ে যাই। পরে আমাকে আহত অবস্থায় মাদরাসার একটি কক্ষে অনেকক্ষণ আটকে রাখা হয়। যেভাবে আমাকে মারা হয়েছে তাতে আমি মরেই যেতাম। আমি হুজুরের বিচার চাই।

আবিদা সুলতানার বাবা মাওলানা এমাদুল হক বলেন, আমার মেয়ে মাদরাসার মেধাবী ছাত্রী। বুধবার দুপুরে হুজুর যখন সব ছেলে মেয়েদের এক সঙ্গে ওজু করতে যেতে বলেছেন তখন আমার মেয়ে অন্য মেয়েদের হয়ে প্রতিবাদ করেছে। এজন্য আমার মেয়েকে এভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। মাদরাসা সুপার আমার মেয়েকে মারধর করে সেটা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য হাসপাতালে না নিয়ে মাদরাসার কক্ষে আটকে রাখেন। পরে আমার ছেলে রেদওয়ান খবর পেয়ে মেয়েকে উদ্ধার করে হাসপালে ভর্তি করে। আমার মেয়ের নির্যাতনকারীর দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।

অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার মাওলানা ওবায়দুল হক সেলিমের মোবাইল ফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকরাম হোসেন বলেন, আমাদের কাছে এখনও এই বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। তবে অভিযোগ করলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।