Saturday, 31 October 2026
শিরোনাম
বগুড়ায় শ্যামলী পরিবহনের বাস হেলপারের ব্যাগ থেকে ২,৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার। বগুড়ায় আইনজীবী সহকারী সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত। পাবনায় বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু বারিধারায় গাড়িচাপায় শ্রমিক নিহত: জামিন পেল অভিযুক্ত কিশোর রাজধানীর কলাবাগান বাস স্ট্যান্ড এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ,আটক ৪ বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ বাইন্যান্সে সাইবার হামলা বছরে এক লাখ কর্মী নেওয়ার সম্মতি দেয়নি জাপান, জানাল টোকিও জয়ের পর ফুল নিয়ে জামায়াত প্রার্থীর বাসায় গেলেন মির্জা ফয়সল আমীন সোনারগাঁওয়ে ইয়াবাসহ দুই নারী কারবারি গ্রেপ্তার
জেলার খবর

ইউএনওর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা, তদন্তের নির্দেশ

• • পঠিত 14 বার
শেয়ার করুন:
ইউএনওর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা, তদন্তের নির্দেশ

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মাসুদ রানার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা করেছেন এক ব্যক্তি। মামলায় শেরপু্রের নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার ববি সহ ৩ কর্মকর্তাকেও আসামি করা হয়েছে।

 
সোমবার (০৭ এপ্রিল) দুপুরে শেরপুরের বিজ্ঞ সি আর আমলি আদালতে মামলাটি দায়ের করেন মোহাম্মদ গোলাপ হোসেন নামের এক ব্যক্তি।  
মামলার মামলা বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৩ই জুন ২০২৫ সালে নিলাম বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ২৫ হাজার ঘনফুট বালু বাদি গোলাপ হোসেন সরকারি কোষাগারে নিলামের অর্থ প্রদান করে ক্রয় করেন। তৎকালীন নালিতাবাড়ী নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ রানা উক্ত বালু বাদীর কাছে বুঝিয়ে দিতে তালবাহানা শুরু করেন এবং এক পর্যায়ে ৬ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে বাদী তার অভিযোগে উল্লেখ করেছেন। পরে বাদী গোলাপ হোসেন টাকা দিতে রাজি না হলে তাকে নিলামের বালু নিয়ে হয়রানি শুরু করেন।   এমত অবস্থায় বাদি গোলাপ হোসেন জেলা প্রশাসক সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেও কোন সুরাহা পাননি বলে জানান, পরে নির্বাহী কর্মকর্তা বদলি জনিত কারণে জামালপুরের বকশীগঞ্জে চলে গেলে বর্তমান নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার ববি ও সহকারী কমিশনার ভূমি আনিসুর রহমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ রানার যোগসাজশে বালু বুঝিয়ে না দিয়ে নিলাম কৃত বালু বিক্রি করে দেন বলে মামলায় অভিযোগ করেন। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।  

এ বিষয়ে বাদী পক্ষের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট জাহিদুল হক আধার জানান, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ৬ লাখ টাকা চাঁদা দাবির উদ্দেশ্যে আমার মক্কেল গোলাপ হোসেনকে হয়রানি করে আসছিল। এ ঘটনায় আমার মক্কেল আজ বিজ্ঞ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। আমরা এ বিষয়ে আদালতে ন্যায় বিচার পাব বলে আশা করছি।

 
এ বিষয়ে বকশিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) মাসুদ রানার বক্তব্য জানতে একাধিকবার কল করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।