Sunday, 4 October 2026
শিরোনাম
জাবিপ্রবিতে ইউজিসি সদস্যের নিকট ২১ দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি প্রদান মিড-ডে মিলে আসছে কুপন, খাবার পছন্দ না হলে ‘টাকা থাকবে’ শিক্ষার্থীর কাছে পাঠ্যবই ছাপায় অনিয়ম করলে পরের বছর কাজ মিলবে না : শিক্ষামন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সালাহউদ্দিন আহমদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল: রাশেদ খাঁন দুবাই পালানোর সময় ‘ক্যাসিনো সম্রাট’ রুবেল গ্রেপ্তার জাবিপ্রবিতে প্রথম বৃহৎ একাডেমিয়া–ইন্ডাস্ট্রি সহযোগিতা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত আমির হামজার জন্য তোরণ বানাতে ‘ন্যাড়া’ করা হলো ১৫ বছরের বকুলগাছ দিনাজপুরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার পূর্বাচল ৩০০ ফিটে উচ্ছেদ অভিযান, সরানো হলো ২০ বিলবোর্ড জরিমানা ছাড়াই লাইসেন্স হালনাগাদের সুযোগ, সময় ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত
সারা দেশ

সোনারগাঁও ক্রসিংয়ে পুলিশ সার্জেন্ট পলাশের তৎপরতায় অপহৃত দুই শিশু উদ্ধার

• • পঠিত 9 বার
শেয়ার করুন:
সোনারগাঁও ক্রসিংয়ে পুলিশ সার্জেন্ট পলাশের তৎপরতায় অপহৃত দুই শিশু উদ্ধার

ঢাকার ব্যস্ততম সড়ক সোনারগাঁও ক্রসিং। প্রতিদিনের মতোই যানবাহন আর মানুষের ব্যস্ততায় মুখর সড়কটি। এরই মধ্যে সড়কের দক্ষিণ পাশে পুলিশ বক্সের পেছনের রাস্তায় কান্নারত ও ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় দুটি শিশুকে দেখতে পান ট্রাফিক তেজগাঁও বিভাগের  ট্রাফিক তেজগাঁও জোনের সার্জেন্ট পলাশ কুমার রায়।

অসহায় শিশু দুটির কাছে ছুটে গিয়ে তাদের শান্ত করেন সার্জেন্ট পলাশ। কথা বলে জানতে পারেন, অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তি তাদের চোখ বেঁধে একটি গোডাউনে নিয়ে আটকে রাখে। পরে সুযোগ বুঝে সেখান থেকে পালিয়ে তারা রাস্তায় চলে আসে।

শিশুদের দেওয়া মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করে তাদের পরিবারের সন্ধান পান সার্জেন্ট পলাশ। জানতে পারেন, গত ১ অক্টোবর ২০২৬ সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টায় স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই বগুড়ার দুই শিশু মো. রিয়ন (১১) ও মো. রনি (১৩) নিখোঁজ ছিল।

পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ঢাকায় অবস্থানরত তাদের মামার সঙ্গেও যোগাযোগ করেন তিনি। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে দুই শিশুকে নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

দুই শিশুর ভয়, কান্না ও অসহায়ত্বের মুহূর্তে সার্জেন্ট পলাশ কুমার রায় শুধু দায়িত্ব পালন করেননি; তিনি হয়ে উঠেছেন তাদের জন্য একজন নিরাপদ আশ্রয়।

পুলিশের দায়িত্ব শুধু যানবাহন নিয়ন্ত্রণ বা ট্রাফিক আইন প্রয়োগে সীমাবদ্ধ নয়—বিপদে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোও পুলিশের মানবিক দায়িত্ব।

সার্জেন্ট পলাশ কুমার রায়ের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ, সাহসিকতা ও মানবিক উদ্যোগ নিঃসন্দেহে একজন দায়িত্বশীল পুলিশ সদস্যের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তাঁর এই মানবিকতায় নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরেছে দুটি শিশুর হাসি।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।