Tuesday, 27 October 2026
শিরোনাম
সনদ সমর্পণ না করে অন্য পেশায় যুক্ত আইনজীবীদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট ভারতে ৬১ শতাংশ মুসলিমদের ঈদের ছুটি ১ দিন, বাংলাদেশে হিন্দুদের পূজার ছুটি ৫ দিন মধ্যরাতে ডাকাতের কবলে ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানি সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ: আইজিপি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির চুম্বনের ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ায় ভারতীয় যুবক কারাগারে ‘এই চড় কোটি মানুষের প্রতিবাদের ভাষা’ কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে অ্যাড. জাকারিয়া মিলন প্রবাসীর স্ত্রীর ভিডিও ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার বিয়ের দাবিতে বিচারকের বাড়িতে শিক্ষিকার অনশন! বিধবা নারীর সঙ্গে প্রেম: মামাকে রাস্তা থেকে সরাতে ডেকে নিয়ে খুন করল ভাগিনা!
এক্সক্লসিভ

বিয়ে নিয়ে এক অভিনব প্রতারণার শিকার এক বিচারক

• • পঠিত 7 বার
শেয়ার করুন:
বিয়ে নিয়ে এক অভিনব প্রতারণার শিকার এক বিচারক

সরকারি চাকরিজীবীদের লক্ষ্য করে বিয়ে, কিছুদিন পর যৌতুক ও ধর্ষণের মামলা এবং এর শিকার একজন বিচারক - এমন এক নারীর সন্ধান মিলেছে। ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে এই নারীর বিরুদ্ধে সাতটি বিয়ের রেকর্ড পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী বিচারকের তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাত্র সাত দিনের মাথায় তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করা হয়। জানা গেছে, এই নারী, যার নাম মদিনা মনসুর, পরপর সাতটি বিয়ে করেছেন এবং তার সকল স্বামীই সরকারি চাকুরিজীবী। মদিনা মনসুর ২০০৬, ২০১০, ২০১৩, ২০১৫, ২০২০, ২০২২ এবং সর্বশেষ ২০২৫ সালে বিয়ে করেছেন বলে তার মামলার আইনজীবীরা জানিয়েছেন।

বিচারকের আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন যে, মদিনা মনসুরের একটি নির্দিষ্ট ধরন রয়েছে। তিনি অপেক্ষাকৃত কম বয়সী এবং সরকারি চাকুরিজীবীদের টার্গেট করেন। তার উদ্দেশ্য হলো, চাকরি বাঁচানোর জন্য স্বামীরা যেন ২০-৩০-৪০ লাখ টাকা দিয়ে ধর্ষণ মামলা তুলে নিতে আপস করেন।

যদিও এতগুলো বিয়ে করা অপরাধ নয়, তবে মদিনা মনসুরের বিয়ে সংক্রান্ত মোট তিনটি মামলা ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে। মদিনা মনসুর বিচারকের সঙ্গে বিয়ের কথা স্বীকার করেছেন। বিচারকের আইনজীবী জানিয়েছেন যে, তাদের কাছে আপসকৃত মামলার সার্টিফাইড কপি এবং কাবিননামার মতো বিভিন্ন ধরনের প্রতারণার প্রমাণ রয়েছে। এসব প্রমাণ নিয়ে প্রতারণার মামলায় মদিনা মনসুরের সর্বোচ্চ সাত বছর (৪৫৫ ধারায়) এবং ৪১৭ ধারায় তিন বছরের সাজার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে, মামলার কারণে ওএসডি (Officer on Special Duty) থাকা বিচারক হাইকোর্টে এ ঘটনায় রিট করবেন বলে তার আইনজীবী জানিয়েছেন। অন্যদিকে, মদিনা মনসুরের আইনজীবী কাজ করতে গিয়ে নানা অসংলগ্ন কথাবার্তা ও প্রস্তাব পাওয়ায় এই মামলা ছেড়ে দিয়েছেন এবং বিষয়টি বিকান্দোলক (tribunal) কে ১২৬ ধারা অনুযায়ী অবহিত করেছেন।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।