Sunday, 1 November 2026
শিরোনাম
লংমার্চ ঘিরে সন্ধ্যা নামতেই কানায় কানায় পূর্ণ কুষ্টিয়ার আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম কুষ্টিয়ায় ডেঙ্গু সচেতনতা ক্যাম্পেইনে জেলা প্রশাসকের সন্তোষ প্রকাশ হাদি হত্যার বিচার না হলে ১৮ ডিসেম্বরের পর কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করল সরকার এইচএসসির ফলাফলে শাস্তির আওতায় আসছেন পরীক্ষকরা সরকারি বাসা থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ভাড়াটিয়া সরানোর কড়া নির্দেশ কুষ্টিয়ায় সম্মিলিত সামাজিক জোটের উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী ডেঙ্গু সচেতনতায় ক্যাম্পেইন চলন্ত সিএনজিতে হঠাৎ আগুন, নেভাতে গিয়ে মিলল ২৫ বোতল ভারতীয় মদ কলেজের মালামাল চুরির অভিযোগে কলেজ ছাত্রদল সভাপতিকে বহিষ্কার দাবি না মানলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে: জামায়াত আমির
এক্সক্লসিভ

বাজারে নেই 'সরকারি দাম'

• • পঠিত 7 বার
শেয়ার করুন:
বাজারে নেই 'সরকারি দাম'

সরকার আলু, পেঁয়াজ ও ডিমের দাম বেঁধে দিলেও, এর কোনো প্রভাব নেই বাজারে। কিনতে হচ্ছে আগের দামেই। ব্যবসায়ীরা বলছেন, নির্ধারিত দামে বিক্রি করলে লোকসান হবে তাঁদের। এভাবে পণ্য বিক্রি করবেন না তাঁরা।

নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে কম আয়ের মানুষ। এর মধ্যে বেশি নৈরাজ্য আলু, পেঁয়াজ ও ডিম নিয়ে। এ অবস্থায় এই তিন খাদ্যপণ্যের দাম বেধে দিয়েছে সরকার। তবে এর কোনো প্রভাবই নেই বাজারে।

সরেজমিনে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে গিয়ে দেখা যায়, আলুর দাম ৩৫ টাকা বেধে দিলেও বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে। ৬৫ টাকার পেঁয়াজের জন্য গুনতে হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকা। ডিমের দাম ১৪৪ টাকা ঠিক করেছিল মন্ত্রণালয়, তবে বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা ডজনে। ৫ টাকা কমিয়ে বোতলের সয়াবিন তেল ১৬৯ টাকায় বিক্রি করতে বলা হয়েছে বাজারে তা ১৭৪ টাকা লিটার।

আলুর দাম প্রসঙ্গে ব্যবসায়ী নাসির খান বলেন, আলু বর্তমানে ৪২ থেকে ৪৫ টাকা পাইকারি দরেই কিনে আনছি। আমরা যদি কমে কিনতে পারি তাহলে অবশ্যই কমে বিক্রি করবো।

ডিম বিক্রেতা আকরাম আলী বলেন, আমরা যদি কমদামে কিনে আনতে পারি, তাহলে কম দামে বিক্রি করতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।

এদিকে আজ শুক্রবার সকালে বাণিজ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বেঁধে দেওয়া দাম বাস্তবায়নে ভোক্তা অধিদপ্তর থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসকরা (ডিসি) বাজার মনিটরিং করবেন। জেলা-উপজেলাসহ বড় বড় শহরে মনিটরিং চলবে। সর্বাত্মক শক্তি নিয়ে বাজারের দাম নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হবে।

রাজধানীতে বাজারে অভিযান চালাতে গিয়ে তোপের মুখে পড়তে দেখা গেছে ভোক্তা অধিকারের কর্মকর্তাদের। তাঁদের দেখে দোকান ফেলে সরে পড়েন অনেক বিক্রেতা।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।