Monday, 26 October 2026
শিরোনাম
ভারতে ৬১ শতাংশ মুসলিমদের ঈদের ছুটি ১ দিন, বাংলাদেশে হিন্দুদের পূজার ছুটি ৫ দিন মধ্যরাতে ডাকাতের কবলে ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানি সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ: আইজিপি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির চুম্বনের ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ায় ভারতীয় যুবক কারাগারে ‘এই চড় কোটি মানুষের প্রতিবাদের ভাষা’ কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে অ্যাড. জাকারিয়া মিলন প্রবাসীর স্ত্রীর ভিডিও ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার বিয়ের দাবিতে বিচারকের বাড়িতে শিক্ষিকার অনশন! বিধবা নারীর সঙ্গে প্রেম: মামাকে রাস্তা থেকে সরাতে ডেকে নিয়ে খুন করল ভাগিনা! সেনাবাহিনীর পোশাকে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, স্বর্ণ-টাকা লুট
এক্সক্লসিভ

চাঁদা না পেয়ে গ্রীন বায়োটেকে সন্ত্রাসী হামলা-ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৫

• • পঠিত 7 বার
শেয়ার করুন:
চাঁদা না পেয়ে গ্রীন বায়োটেকে সন্ত্রাসী হামলা-ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৫

জামালপুরের মেলান্দহে গ্রীন বায়োটেকনোলজি কারখানায় চাঁদার দাবিতে ফাঁকা গুলি, ককটেল বিস্ফোরণ ও দেশীয় অস্ত্রের মহড়া দিয়ে সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক করেছে।

 

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে উপজেলার নাংলা ইউনিয়নের মুন্সী নাংলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটককৃতরা হলেন, মেলান্দহের মুন্সী নাংলা গ্রামের জিয়াউর রহমানের মেয়ে জান্নাতুল হুমায়রা জেমি (২২), বরগুনার মরখালী গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে মো. মাসুম (২৫), বাসুদেবপুর এলাকার মোহাম্মদ সানি (২৬), বয়রাডাঙ্গা এলাকার লিখন আহমেদ সাকিব (২৭), মোশারফ মিয়া (২৩) পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরে জান্নাতুল হুমায়রা জেমি এবং সামিউল ইসলাম জাম্বুর নেতৃত্বে চাদা না পেয়ে একদল সশস্ত্র দুষ্কৃতিকারী কারখানার সামনে দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এরপর রড, হকিস্টিক, পেট্রলবোমা ও দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তারা কারখানার গেটে হামলা চালায়। গুলি ও বিস্ফোরণের শব্দ শুনে গ্রামবাসী এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পালানোর চেষ্টা করে। এসময় তিনজনকে হাতে নাতে ধরে ফেলে। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মোট পাঁচজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

 

গ্রীন বায়োটেকনোলজির ম্যানেজার নজরুল ইসলাম বলেন, পাঁচ লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসীরা আমাদের কারখানায় গুলি, ককটেল বিস্ফোরণ ও ভাঙচুর চালিয়েছে। তারা রড, হকিস্টিক, পেট্রলবোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করে। এর আগেও এই একই দল চাঁদা না পেয়ে আমাদের ওপর হামলা করেছে।

 

তিনি আরও বলেন, এই কারখানা মেলান্দহসহ জামালপুর জেলার গ্রামীণ অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে বড় ভূমিকা রাখছে। শত শত পরিবার এ প্রতিষ্ঠানের আয়ের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু বারবার সন্ত্রাসী হামলার কারণে প্রতিষ্ঠানটি এখন হুমকির মুখে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে উদ্যোক্তারা এ অঞ্চলে বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত হবেন।

 

জানতে চাইলে মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, সন্ত্রাসীরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে কারখানায় হামলার চেষ্টা করেছিল। খবর পেয়ে আমরা দ্রুত অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করেছি। আটকের সময় তারা পুলিশের কাজেও বাধা সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় একদা মামলা দায়ের হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।