Wednesday, 21 October 2026
শিরোনাম
ভারতের সবচেয়ে বড় ব্যাংকে সাইবার হামলা, প্রায় ৪ লাখ গ্রাহকের তথ্য চুরি ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা,প্রজ্ঞাপন জারি কুষ্টিয়ায় তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টার অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক কারাগারে হরমুজে ৩ তেলবাহী জাহাজে আগুন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশ্ন ফাঁসের মামলায় যুবক গ্রেপ্তার পর্যাপ্ত আয়োডিনযুক্ত লবণ পাচ্ছে না ২৪ শতাংশ পরিবার ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ বিষয়ক কর্মশালা ফের চালু হচ্ছে ডিভি লটারি, জেনে নিন আবেদনের সময় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জামালপুরে যুবদল নেতার রাজুর বস্ত্র বিতরণ মেলান্দহে নাটমন্দির পরিদর্শনে এমপি বাবুল, সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান
আর্ন্তজাতিক

রাশিয়ার দুই শীর্ষ কমান্ডারের বিরুদ্ধে আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

• • পঠিত 9 বার
শেয়ার করুন:
রাশিয়ার দুই শীর্ষ কমান্ডারের বিরুদ্ধে আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ইউক্রেনে যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করার অভিযোগে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর দুই শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে নেদারল্যান্ডসের হেগভিত্তিক আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)।

দুই রুশ কমান্ডার হলেন দেশটির সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট জেনারেল সের্গেই কোবিলাশ (৫৮) এবং নৌবাহিনীর অ্যাডমিরাল ভিক্টর সোকোলভ (৬১)। বুধবার (৬ মার্চ) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

এর আগে গত বছরের মার্চে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং রাশিয়ার শিশু বিষয়ক কমিশনার মারিয়া লভোভা–বেলোভার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি করে আইসিসি।

আইসিসি জানিয়েছে, রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর যে দুজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ আছে। তাদের অধীনস্থ সামরিক বাহিনীর সদস্যরা ইউক্রেনে এসব ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছিলেন।

আইসিসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৩ সালের মার্চ মাসের মধ্যে ইউক্রেনের বেসামরিক অবকাঠোমা নিশানা করে এসব হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল।

আইসিসি বলেছে, বেসামরিক স্থাপনায় সরাসরি হামলা করার নির্দেশ দেওয়ার মাধ্যমে এই দুই ব্যক্তি যুদ্ধাপরাধ করেছেন। এ ছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আছে।

তবে আইসিসিকে এখনো স্বীকৃতি দেয়নি রাশিয়া। এর মানে আইসিসির এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ার ফলে বিচারের মুখোমুখি করতে এসব ব্যক্তিকে কখনো প্রত্যর্পণ করার সম্ভাবনা খুব ক্ষীণ।

প্রসঙ্গত, গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের ঘটনা তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনতে জাতিসংঘের ২০০২ সালের একটি সনদ অনুযায়ী আইসিসি প্রতিষ্ঠা করা হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের যখন কোনো রাষ্ট্র বিচার করতে পারে না বা করে না তখন তাতে হস্তক্ষেপ করে এই আদালত।

বিশ্বের ১২৩টি দেশ আইসিসিকে স্বীকৃতি দিলেও রাশিয়া, চীন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দেয়নি।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।