Monday, 26 October 2026
শিরোনাম
কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে অ্যাড. জাকারিয়া মিলন প্রবাসীর স্ত্রীর ভিডিও ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার বিয়ের দাবিতে বিচারকের বাড়িতে শিক্ষিকার অনশন! বিধবা নারীর সঙ্গে প্রেম: মামাকে রাস্তা থেকে সরাতে ডেকে নিয়ে খুন করল ভাগিনা! সেনাবাহিনীর পোশাকে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, স্বর্ণ-টাকা লুট টঙ্গীর সেই মাদ্রাসা শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর মেলান্দহে ভূমি অফিসের নিলামকৃত গাছ কাটা নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন বিতর্কের মুখে ষষ্ঠ শ্রেণির বই থেকে বাদ ‘দাঁড়িপাল্লা’, জ্ঞানের পিরামিডে থাকছে না কোনো আইকন প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তা আবারও যমুনা সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ
এক্সক্লসিভ

রাঙামাটির দুর্গম এলাকায় বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করলো সেনাবাহিনী

• • পঠিত 6 বার
শেয়ার করুন:
রাঙামাটির দুর্গম এলাকায় বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করলো সেনাবাহিনী

রাঙামাটি জেলার দুর্গম ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সশস্ত্র দলের আধিপত্য নির্মূল এবং দুর্গম এলাকার জনসাধারণকে সহায়তার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দীর্ঘমেয়াদি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে। গত ২৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ থেকে এ অভিযান শুরু হয়।

অভিযান চলাকালে সেনাবাহিনীর সদস্যরা রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলার দুর্গম শৈয়ালপাড়া ও থাচিপাড়া এলাকার বাসিন্দাদের বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকটের বিষয়টি জানতে পারেন। এসব পাহাড়ি এলাকায় স্থানীয় জনগণকে দৈনন্দিন পানির প্রয়োজন মেটাতে আনুমানিক ৪০০ থেকে ৬০০ ফুট নিচে ঝিরি থেকে পানি সংগ্রহ করতে হতো, যা ছিল অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ও ঝুঁকিপূর্ণ।

এলাকাবাসীর এই দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে চলমান অভিযানের পাশাপাশি সেনাবাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে পানির সংকট নিরসনে উদ্যোগ গ্রহণ করে। রাঙামাটি রিজিয়নের জুরাছড়ি জোনের ব্যবস্থাপনায় গত ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে শৈয়ালপাড়া ও থাচিপাড়ায় পৃথক দুটি পানির পয়েন্ট স্থাপন করা হয়।

এর ফলে শৈয়ালপাড়ার প্রায় ৬০ জন মানুষ (১৬টি পরিবার) এবং থাচিপাড়ার প্রায় ২০০ জন মানুষ (৭৫টি পরিবার) নিজ নিজ বসতবাড়ির নিকটেই নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির সুবিধা পাচ্ছেন। সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অর্থায়নে এই পানির প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জানায়, পার্বত্য অঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর কঠোর অভিযান যতদিন প্রয়োজন ততদিন অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে প্রান্তিক পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও দুর্ভোগ লাঘবে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমও চলমান থাকবে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।