Saturday, 24 October 2026
শিরোনাম
কুমারখালীতে দুর্গোৎসবে ব্যতিক্রমী প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কৃত করল ফ্যামিলি কেয়ার বিএনপি নেতার স্ত্রীকে নিয়ে উধাও কথিত মামা, অতঃপর.... ৭ বছরের শিশুকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ, গণধোলাইয়ের পর মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ গ্রেপ্তার নাহিদ ইসলামকে আহ্বায়ক করে এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন বাংলাদেশে ৬৩৬ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে জাপান ১৩ বছর বয়সী ছাত্রীকে ধর্ষণে সহায়তা করেছিলেন মাদ্রাসাশিক্ষকের স্ত্রী, গ্রেপ্তার নওগাঁয় শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে মাইকিং,গ্রেপ্তার ২ ফরিদপুরে বাস-অ্যাম্বুলেন্স সংঘর্ষে নিহত ৩ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর গাড়িবহরে হামলা বিএনপি নেতা প্রয়াত সালাউদ্দিন আহমেদের কুলখানি অনুষ্ঠিত
এক্সক্লসিভ

যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে সারাদেশের পেট্রোল পাম্প

• • পঠিত 6 বার
শেয়ার করুন:
যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে সারাদেশের পেট্রোল পাম্প

দেশজুড়ে জ্বালানি তেলের ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে যেকোনো সময় পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে— এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

রোববার (২২ মার্চ) রাতে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানায়, সারাদেশের পেট্রোল পাম্পগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটাপন্ন। কোম্পানি থেকে যে পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হচ্ছে, তা দিয়ে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পাম্পে পেট্রোল সংকটের ফলে মোটরসাইকেল চালকসহ সাধারণ গ্রাহকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। অন্যদিকে পাম্পকর্মীরাও দীর্ঘ সময় বিরামহীন কাজ করতে গিয়ে শারীরিক ও মানসিক চাপে পড়ছেন। এমন অবস্থায় যেকোনো সময় পাম্প বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে সংগঠনটি।

সংগঠনটির দাবি, জ্বালানি বিক্রির সময় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে না। সরকার ও জেলা প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে পাম্পগুলোতে বিশৃঙ্খলা বাড়ছে।

একাধিক ঘটনার উদাহরণ তুলে ধরে তারা জানায়, ঈদের আগের দিন একটি জেলা শহরের একটি পাম্পে ১০ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল ও সমপরিমাণ অকটেন মজুত ছিলো। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে যা কয়েকদিন চলার কথা, কিন্তু অতিরিক্ত চাপ ও বিশৃঙ্খলার কারণে খুব অল্প সময়েই শেষ হয়ে যায়।

অভিযোগ করা হয়েছে, অনেক মোটরসাইকেল চালক দিনে একাধিকবার তেল নিচ্ছেন এবং পরে তা বেশি দামে বিক্রি করছেন। আবার কেউ কেউ আংশিক ভর্তি ট্যাংক নিয়েও বারবার তেল নিতে আসছেন, ফলে প্রকৃত প্রয়োজনীয় গ্রাহকরা বঞ্চিত হচ্ছেন।

পরিস্থিতিকে ‘লুটতরাজ’ আখ্যা দিয়ে সংগঠনটি আরও জানায়, গভীর রাতে সংঘবদ্ধভাবে পাম্পে এসে জোরপূর্বক তেল নেওয়ার ঘটনাও ঘটছে। ঠাকুরগাঁও-এর একটি ঘটনার উল্লেখ করে বলা হয়, সেখানে জ্বালানি সরবরাহের সময় লাঠিসোঁটা নিয়ে এসে তেল নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

শুধু পাম্পেই নয়, ডিপো থেকে তেল পরিবহনের সময়ও নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে জানানো হয়। ট্যাংকার লুট হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।

সংগঠনটির মতে, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে ঈদের আগের দিন অনেক পাম্পে জরুরি সেবার জন্য ২০০ লিটার অকটেন সংরক্ষণ করাও সম্ভব হয়নি। এমনকি জোর করে পাম্প খুলে সে জ্বালানি নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

এ অবস্থায় দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর উপস্থিতি নিশ্চিত না করা হলে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প থাকবে না বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

তাদের ভাষায়, নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে ব্যবসা চালানো সম্ভব নয়— যা দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।