Wednesday, 4 November 2026
শিরোনাম
নিম্নতম মজুরি বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান সৈয়দ আজাদ সুবহানী কলেজের শ্রেনীকক্ষে তালা,মাঠজুড়ে পশুর হাট ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি অধ্যাপকের প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ,সত্যতা কতটা? স্কুলশিক্ষার্থীদের কাছে ই-সিগারেট বিক্রির অভিযোগ, কুয়েতে ৫ বাংলাদেশী গ্রেপ্তার প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে বিরোধ, সুনামগঞ্জে দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত ১৫ ১৭৪ ফ্লাইট বাতিল, শনিবার থেকে চলবে দাম্মাম ফ্লাইট চুরি ঠেকাতে ২০০ কেজির ওয়েস্ট বিন, দক্ষিণ সিটিতে বসানো হলো ৬০০টি নারী গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে ৮৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ: ডাচ-বাংলার কর্মকর্তাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা ইতিহাস গড়ে প্রথম মুসলিম মার্কিন সিনেটর আব্দুল আল-সায়িদ পদ্মা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে হাইকোর্টের রুল
জেলার খবর

বিয়ের ৯ বছর পর একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম

• • পঠিত 8 বার
শেয়ার করুন:
বিয়ের ৯ বছর পর একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে বিয়ের নয় বছর পর একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম দিয়েছেন আইরিন আক্তার নামে এক গৃহবধূ। জন্ম নেওয়া তিন নবজাতকের মধ্যে দুই ছেলে ও এক মেয়ে।

 

শুক্রবার একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম নেওয়ায় পরিবারে বইছে আনন্দের জোয়ার। তিন নবজাতকের মধ্যে একজন মারা গেছে।

 

ওই শিশুদের বাবা মিনহাজুল ইসলাম উপজেলার ভাদুরিয়া প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরের বাসিন্দা। পেশায় তিনি ভ্যানচালক।

 

এদিকে, এক সঙ্গে তিন নবজাতকের জন্মের খবরে হাসপাতালে ছুটে যান দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) দেবাশীস চৌধুরী। এ সময় তিনি প্রসূতির পরিবারকে ফল ও আর্থিক সহযোগিতা করেন।

 

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রসব বেদনা নিয়ে আইরিন আক্তার দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। প্রথম ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। পরে এক ছেলে সন্তান মারা গেছে। অপর দুই সন্তান সুস্থ আছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের চিকিৎসক।

 

মিনহাজুলের পরিবার জানায়, ২০১৩ সালে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার মিনহাজুলের সঙ্গে নবাবগঞ্জ উপজেলার ভাদুরিয়া এলাকার আইরিন আকতারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর সন্তান না হওয়ায় বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নেন তারা। এরপর একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম হল।

   

ওই তিন নবজাতকের নানি রুপা বেগম বলেন, ‘বিয়ের পর থেকে আমার মেয়ের সন্তান হচ্ছিল না। এতদিন পর তিন সন্তান পেয়ে আমরা খুশি।

   

এক ছেলে মারা গেছে। আল্লাহ যেন বাকি দুই সন্তান সুস্থ রাখেন।’ তিনি বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এডিসি স্যার এসে খোঁজ নিয়ে গেছেন। ফলমূল আর আর্থিক সহায়তা করেছেন। আরও সহযোগীতার আশ্বাস দিয়ে গেছেন।

   

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, তিন সন্তানের বাবা সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরের বাসিন্দা। জেলা প্রসাশকের নির্দেশনায় তাদের প্রাথমিক সেবা ও আর্থিক সহায়তা করা হয়েছে। তাদের সার্বিক সহযোগিতায় জেলা প্রশাসন সবসময় পাশে থাকবে।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।