Monday, 2 November 2026
শিরোনাম
আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশের সংঘর্ষ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ ফেসবুকে ‘ঢাকা দখলের’ ঘোষণা দিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার বাদাম বিক্রির ঝুড়ি নয়, শিশু হাসানের হাতে বই-খাতা তুলে দিলেন ডিসি ফরিদা খানম ড্রাইভিং লাইসেন্স নয়, ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত কুষ্টিয়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধ, প্রতিপক্ষের হামলায় গৃহবধূ নিহত মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, টিয়ারশেল নিক্ষেপ ৫ শতাধিক আইনজীবীর সনদ স্থগিতের আলটিমেটাম সব অফিসের জন্য সরকারের জরুরি নির্দেশ এবার পুরুষদের জন্য আসছে জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল,গবেষণায় নতুন চমক এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদল সভাপতির ছেলে
জেলার খবর

ফেসবুকে প্রেমের পর পালিয়ে বিয়ে, একসঙ্গে আত্মহত্যা

• • পঠিত 7 বার
শেয়ার করুন:
ফেসবুকে প্রেমের পর পালিয়ে বিয়ে, একসঙ্গে আত্মহত্যা

নারায়ণগঞ্জের বন্দরের র‌্যালি আবাসিক এলাকায় হুমায়ূন মিয়ার ভাড়া বাড়িতে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্বামী-স্ত্রীর একসঙ্গে আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। ফেসবুকে পরিচয়ের মাধ্যমে তাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তারা পালিয়ে বিয়ে করেন।

 

সোমবার গভীর রাতে কাউসার (৩৪) ও তার স্ত্রী ঝর্ণা আক্তারের (১৭) লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

 

মৃত ঝর্ণার পরিবার জানায়, পুরান বন্দর চৌধুরীবাড়ি এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে সৌদি ফেরত কাউসারের সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় হয় বন্দর গার্লস স্কুলের ৯ম শ্রেণির ছাত্রী ঝর্ণার। এরপর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রেমের টানে ঝর্ণা বাড়ি থেকে কাউসারের সঙ্গে পালিয়ে যায়। এ ঘটনা জানাজানি হলে কাউসারের প্রথম স্ত্রী মামলা করেন। অপরদিকে ঝর্ণার বাবাও অপহরণ মামলা করেন। উভয় মামলায় কাউসার বেশ কিছু দিন জেল খাটেন। পরে উভয় পরিবারের সমঝোতার মাধ্যমে কাউসারকে জেল থেকে বের করে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়। ঝর্ণা বিয়ের কয়েক দিন পর থেকেই স্বামী কাউসারকে নিয়ে বাবার বাসায় বসবাস করেন।

 

সোমবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে ঝর্ণা অভিমান করে একটি কক্ষে গিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। স্বামী কাউসার স্ত্রীকে ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে তিনিও পাশের কক্ষে গিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। সংবাদ পেয়ে পুলিশ রাত ১টায় কক্ষের দরজা ভেঙে স্বামী-স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

 

বন্দর থানার ওসি আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, রাতেই লাশ দুটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর কারণ ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর বলা যাবে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।