Wednesday, 21 October 2026
শিরোনাম
এক্সক্লসিভ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খাবার বিতরণে অনিয়ম হলে মামলার হুঁশিয়ারি

• • পঠিত 7 বার
শেয়ার করুন:
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খাবার বিতরণে অনিয়ম হলে মামলার হুঁশিয়ারি

সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচি বা মিড ডে মিল কর্মসূচির খাবার নিয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

তবে ফিডিং কর্মসূচির খাবার গ্রহণ ও বিতরণে গাফিলতি, শৈথিল্য বা অনিয়ম পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা ও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পচা বনরুটি, নষ্ট ডিম, আকারে ছোট ও পচা কলা বিতরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মরিয়ম বেগমের সই করা এক নির্দেশনায় বলা হয়, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের দেওয়া খাদ্যের মান ও পরিমাণ চুক্তি অনুযায়ী সঠিক কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে খাদ্য গ্রহণ ও বিতরণ শেষ করতে হবে এবং ধরন অনুযায়ী সব খাদ্য বিদ্যালয়ে উপযুক্তভাবে সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের খাবারের প্যাকেটের গায়ে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, নেট ওজন যাচাই করার নির্দেশ দিয়ে বলা হয়, বনরুটি তাজা, নরম ও সঠিকভাবে মোড়কজাত কি না পরীক্ষা করতে হবে। প্যাকেজিং ছেঁড়া, আর্দ্রতা, পচন, ফাঙ্গাস বা দুর্গন্ধ থাকলে তা গ্রহণ করা যাবে না। ডিমের ক্ষেত্রে ফাটা, দুর্গন্ধ, পিচ্ছিলতা বা দৃশ্যমান দূষণ আছে কি না দেখতে হবে। কলা দাগমুক্ত ও পোকামুক্ত হতে হবে; অতিরিক্ত পাকা বা পচা কলা বিতরণ করা যাবে না।

এ ছাড়া ইউএইচটি মিল্ক ও ফর্টিফাইড বিস্কুটের ক্ষেত্রেও প্যাকেজিং, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ এবং নেট ওজন যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, কোনো অবস্থাতেই নিম্নমানের বা ত্রুটিপূর্ণ খাদ্যসামগ্রী গ্রহণ করা যাবে না। এরপরও যদি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের খাবার দেয়, তাৎক্ষণিকভাবে তা প্রত্যাখ্যান করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।