Monday, 26 October 2026
শিরোনাম
সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ: আইজিপি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির চুম্বনের ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ায় ভারতীয় যুবক কারাগারে ‘এই চড় কোটি মানুষের প্রতিবাদের ভাষা’ কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে অ্যাড. জাকারিয়া মিলন প্রবাসীর স্ত্রীর ভিডিও ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার বিয়ের দাবিতে বিচারকের বাড়িতে শিক্ষিকার অনশন! বিধবা নারীর সঙ্গে প্রেম: মামাকে রাস্তা থেকে সরাতে ডেকে নিয়ে খুন করল ভাগিনা! সেনাবাহিনীর পোশাকে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, স্বর্ণ-টাকা লুট টঙ্গীর সেই মাদ্রাসা শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর মেলান্দহে ভূমি অফিসের নিলামকৃত গাছ কাটা নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন
এক্সক্লসিভ

নিরবে কেটে গেল ‘দেওয়ানগঞ্জ হানাদার মুক্ত দিবস‘

• • পঠিত 8 বার
শেয়ার করুন:
নিরবে কেটে গেল ‘দেওয়ানগঞ্জ হানাদার মুক্ত দিবস‘
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জের ইতিহাসে ৬ ডিসেম্বর বিশেষ একটি দিন। দেওয়ানগঞ্জ হানাদারমুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে দেওয়ানগঞ্জকে শত্রুমুক্ত করেছিলেন।
প্রতিবছর এই দিনে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও উপজেলা প্রশাসন পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভা, শোভাযাত্রা ও শহীদদের স্মরণে দোয়া আয়োজন করলেও এবছর দিবসটি নিস্তব্ধতায় কেটে গেছে। কোথাও কোনো আনুষ্ঠানিক আয়োজন, শোভাযাত্রা বা স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়নি। এ অবহেলাকে স্থানীয়রা হতাশাজনক হিসেবে উল্লেখ করছেন।
১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে ভোর সকালে ১১ নম্বর সেক্টরের অধীন গাজী নাছির কোম্পানির প্লাটুন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল কাদেরের নেতৃত্বে বাহাদুরাবাদ ঘাটের পাকিস্তানি ক্যাম্পে আক্রমণ চালানো হয়। পাকিস্তানি সেনারা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয় মানুষদের মাঝে স্বাধীন বাংলার স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো দেওয়ানগঞ্জ।
স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল কাদের বলেন, ৬ ডিসেম্বর হানাদার বাহিনী বিতাড়িত হওয়ার পর আমরা জিলবাংলা চিনিকল, তৎকালীন দেওয়ানগঞ্জ কোঅপারেটিভ হাইস্কুল ও একেএম কলেজে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করি। পুরো দেওয়ানগঞ্জ সেই দিন উৎসবমুখর হয়ে উঠেছিল।
তবে এবার দিবসটি পালন না হওয়ায় স্থানীয়রা মনে করেন, ইতিহাসের এই দিনে সরকারি ও সামাজিকভাবে যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা উচিত। দিবসটি যাতে আরও তাৎপর্যপূর্ণভাবে উদযাপিত হয়, সেই দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উপর বর্তায়।
দিবসটি নিয়ে আয়োজন কেন হলোনা জানতে চাইলে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন বলেন, আমি সদ্য এই কর্মস্থলে যোগদান করেছি। এ বিষয়ে আমার জানা ছিলো না।
মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।