উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে গোপালগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ মহাষ্টমী ও সন্ধিপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে দেবী দুর্গার মহাষ্টমী বিহিত পূজা শুরু হয়। অঞ্জলি প্রদান, মন্ত্রোচ্চারণ ও ঢাকের বাদ্যে মুখরিত হয়ে ওঠে প্রতিটি মণ্ডপ। ঢাক-ঢোল, কাঁসর ও শঙ্খধ্বনিতে পুরো এলাকা উৎসবে পরিণত হয়।
ভক্তরা দেবীর চরণে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করে দেশ ও জাতির কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। অষ্টমী তিথি ও নবমী তিথির মিলনক্ষণে অনুষ্ঠিত হয় দুর্গাপূজার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও আকর্ষণীয় ধর্মীয় আচার ‘সন্ধিপূজা’।
ভক্তদের বিশ্বাস মহিষাসুর বধের সময় দেবী দুর্গা রূপ ধারণ করেছিলেন চণ্ডীর। এই সময়েই দেবী চামুণ্ডা রূপে অসুর রক্তবীজকে বধ করেন। শুভ ও অশুভ শক্তির এই সন্ধিক্ষণকে স্মরণ করতেই ১০৮টি মাটির প্রদীপ ও ১০৮টি পদ্মফুল দিয়ে দেবীর বিশেষ পূজা নিবেদন করা হয়।
পূজা উদযাপনের সার্বিক বিষয়ে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ জানান, কোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই অত্যন্ত ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সম্প্রীতির আবহে ভক্তরা পূজা উপভোগ করছেন। আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও জেলার মণ্ডপগুলোতে নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আসা ভক্তরা জানান, দেবী দুর্গার আগমনে ধরায় ছড়িয়ে পড়ুক শান্তির বার্তা, বিনাশ হোক সকল অশুভ শক্তির—এমনটাই তাদের মূল প্রার্থনা।





