Monday, 26 October 2026
শিরোনাম
কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে অ্যাড. জাকারিয়া মিলন প্রবাসীর স্ত্রীর ভিডিও ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার বিয়ের দাবিতে বিচারকের বাড়িতে শিক্ষিকার অনশন! বিধবা নারীর সঙ্গে প্রেম: মামাকে রাস্তা থেকে সরাতে ডেকে নিয়ে খুন করল ভাগিনা! সেনাবাহিনীর পোশাকে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, স্বর্ণ-টাকা লুট টঙ্গীর সেই মাদ্রাসা শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর মেলান্দহে ভূমি অফিসের নিলামকৃত গাছ কাটা নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন বিতর্কের মুখে ষষ্ঠ শ্রেণির বই থেকে বাদ ‘দাঁড়িপাল্লা’, জ্ঞানের পিরামিডে থাকছে না কোনো আইকন প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তা আবারও যমুনা সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ
এক্সক্লসিভ

কুমিল্লায় প্রকাশ্যে বই খুলে পরীক্ষা দিলেন অনার্স শিক্ষার্থীরা

• • পঠিত 10 বার
শেয়ার করুন:
কুমিল্লায় প্রকাশ্যে বই খুলে পরীক্ষা দিলেন অনার্স শিক্ষার্থীরা

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার একটি মাদরাসায় ফাজিল (অনার্স) পরীক্ষায় শিক্ষকের উপস্থিতিতেই প্রকাশ্যে বই ও খাতা খুলে পরীক্ষা দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

 

২ মিনিট ২৭ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, পরীক্ষার হলে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর বেঞ্চে উন্মুক্ত অবস্থায় বই রাখা রয়েছে। শিক্ষকের উপস্থিতিতেই শিক্ষার্থীরা কোনো প্রকার দ্বিধাবোধ ছাড়াই বই দেখে খাতায় উত্তর লিখছেন। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই এমন আচারণে প্রশ্ন উঠেছে পরীক্ষা কেন্দ্রের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে।

 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার পিপুলিয়া ইসলামিয়া কামিল মাদরাসায়। বর্তমানে ওই প্রতিষ্ঠানে ফাজিল (অনার্স) প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা চলছে। গত রবিবার (২১শে ডিসেম্বর) প্রথম ও তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা চলাকালীন ভিডিওটি ধারণ করা হয়। এ পরীক্ষায় মোট ৪৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন, যারা সবাই একই মাদরাসার শিক্ষার্থী।

 

নিজ মাদরাসায় পরীক্ষার কেন্দ্র হওয়ায় শিক্ষকরাই শিক্ষার্থীদের বই খুলে লেখার সুযোগ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অবৈধ সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে।

 

সূত্র জানায়, কেন্দ্র ফি বাবদ ৫০০ টাকা এবং অসদুপায় অবলম্বনের সুযোগ করে দেওয়ার কথা বলে আরও ৬০০ টাকা- অর্থাৎ জনপ্রতি মোট ১১০০ টাকা করে আদায় করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল কুদ্দুসকে ফোন করা হলে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন এবং মোবাইল ফোনটি বন্ধ করে রাখেন।

 

পরীক্ষায় এমন অনিয়মের বিষয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ মো. তৈয়ব হোসেন বলেন, পরীক্ষায় অসদুপায়ের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। এ বিষয়ে আমরা দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

 

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায় জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত। হয়েছি। আজই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।