Thursday, 29 October 2026
শিরোনাম
ইউপি নির্বাচন: আচরণবিধি লঙ্ঘনে প্রার্থিতা বাতিল, সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ মিললো তুরাগে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড বাবার মৃত্যুর ১৫ মিনিট পর জন্ম নিল পুত্রসন্তান, ‘আনন্দে’ বিষাদের ছায়া! কুমারখালীতে ৩১ মেধাবী শিক্ষার্থীকে সম্মাননা ও নগদ অর্থ প্রদান কবরের দুই ফেরেশতার প্রশ্ন নিয়ে প্রচলিত বিশ্বাসে আপত্তি, ইসলামি বক্তাকে গুলি করে হত্যা লগি-বৈঠার সহিংসতার বিচার দাবি জামায়াতের মা হারালেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী কোচ লিওনেল স্কালোনি গাজীপুরে ‘জঙ্গি নাটক’ মামলায় হাসিনাসহ ১০ জনের শুনানি ১৭ নভেম্বর সুনামগঞ্জে জাতীয় সড়ক দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা
এক্সক্লসিভ

সহকর্মী শিক্ষকের গোপনাঙ্গ কেটে ফেলা শিক্ষিকার পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু

• • পঠিত 8 বার
শেয়ার করুন:
সহকর্মী শিক্ষকের গোপনাঙ্গ কেটে ফেলা শিক্ষিকার পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু

রাজধানীর ভাটারা থানায় পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে এক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষিকার (২৭)। তিনি তার সহকর্মী এক পুরুষ শিক্ষকের গোপনাঙ্গ কাটার অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।

 

শুক্রবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

 

পুলিশের দাবি, থানায় থাকাকালীন ওই শিক্ষিকা কীটনাশক পান করেন। ওসি জানান, তিনি তার পরিচিতজনদের দিয়ে ওষুধ আনার কথা বলে কীটনাশক আনিয়ে তা পান করেন। পরে তাকে প্রথমে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ও সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়।

 

তবে তার স্বজনদের দাবি, এটি একটি ‘রহস্যজনক মৃত্যু’ এবং পুলিশের অবহেলার বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার।

 

ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার রাতে, যখন ওই নারী শিক্ষিকা তার সহকর্মীর মিরপুর ১২ নম্বর এলাকার বাসায় যান। তারা রাত একসঙ্গে কাটান। অভিযোগ অনুযায়ী, রাতের কোনো একসময় ওই শিক্ষক ঘুমিয়ে পড়লে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গোপনাঙ্গ কেটে দেন নারী শিক্ষিকা।

 

শুক্রবার সকালে আহত অবস্থায় ওই শিক্ষককে রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যান অভিযুক্ত নারী। পরে পুলিশ ৯৯৯-এ কল পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে ভাটারা থানায় নিয়ে যায়।

 

ভুক্তভোগী শিক্ষক বর্তমানে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তার স্ত্রী জার্মান প্রবাসী। সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন এবং তার বাবাও অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, তাই তিনি পরিবারের সঙ্গে থাকছিলেন।

 

এদিকে, শিক্ষিকার স্বজনদের দাবি, অভিযুক্ত নারী ও আহত শিক্ষক কয়েক মাস আগে বিয়ে করেছিলেন এবং তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস করছিলেন। তবে ওই শিক্ষক অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলায় ক্ষোভ থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ জানায়, তাদের বৈবাহিক সম্পর্কের বৈধতা যাচাই করা হবে কাগজপত্র দেখে।

 

পল্লবী থানায় আগেই অভিযুক্ত নারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় বলে জানিয়েছেন এসআই মোহাম্মদ আলী, যিনি মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।