Saturday, 24 October 2026
শিরোনাম
চেতনানাশক দিয়ে ধর্ষণের পর জন্মনিয়ন্ত্রণ ওষুধ খাওয়াতেন মাদ্রাসাশিক্ষক কুমারখালীতে দুর্গোৎসবে ব্যতিক্রমী প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কৃত করল ফ্যামিলি কেয়ার বিএনপি নেতার স্ত্রীকে নিয়ে উধাও কথিত মামা, অতঃপর.... ৭ বছরের শিশুকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ, গণধোলাইয়ের পর মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ গ্রেপ্তার নাহিদ ইসলামকে আহ্বায়ক করে এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন বাংলাদেশে ৬৩৬ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে জাপান ১৩ বছর বয়সী ছাত্রীকে ধর্ষণে সহায়তা করেছিলেন মাদ্রাসাশিক্ষকের স্ত্রী, গ্রেপ্তার নওগাঁয় শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে মাইকিং,গ্রেপ্তার ২ ফরিদপুরে বাস-অ্যাম্বুলেন্স সংঘর্ষে নিহত ৩ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর গাড়িবহরে হামলা
জাতীয়

সনদ জালিয়াতির অভিযোগে লাইসেন্স হারাচ্ছেন বিমানের দুই পাইলট

• • পঠিত 9 বার
শেয়ার করুন:
সনদ জালিয়াতির অভিযোগে লাইসেন্স হারাচ্ছেন বিমানের দুই পাইলট

সনদ জালিয়াতির অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পাইলট সাদিয়া আহমেদ ও আল মেহেদী ইসলামের লাইসেন্স বাতিল করা হচ্ছে। একই সাথে তাদের কঠোর শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

 

বোয়িং-৭৭৭ উড়োজাহাজ চালাতে ২০২১ সালের ২৩ নভেম্বর ৫ বছরের চুক্তিতে ৮ জন ক্যাপ্টেন ও ৬ জন ফার্স্ট অফিসার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেয় রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান। প্রাথমিকভাবে কয়েকজনকে নির্বাচন করার পর তাঁদের দক্ষতা ও যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

   

তাঁদের মধ্যে ফার্স্ট অফিসার আল মেহেদী ইসলাম জমা দেন এয়ারলাইনস ট্রান্সপোর্ট পাইলট লাইসেন্সের (এটিপিএল) জাল সনদ। সেই সনদে তিনি বেবিচকের ফ্লাইট সেফটি বিভাগের সহকারী পরিচালকের জাল স্বাক্ষর ব্যবহার করেন।

 

অন্যদিকে বিজ্ঞান বিভাগে না পড়েও জাল শিক্ষা সনদ জমা দিয়ে নির্বাচিত হন সাদিয়া আহমেদ। তিনি বিমানের সাবেক চিফ অব ট্রেনিং ক্যাপ্টেন সাজিদ আহমেদের স্ত্রী।

   

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বেবিচকের চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, ‘তাঁরা সনদ জালিয়াতি করেছেন এটা নিশ্চিত করা হয়েছে। এখন তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে। তাঁদেরকে জরিমানা ও তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

   

এদিকে পাইলটের মতো গুরুত্বপূর্ণ পেশায় যারা জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির তাগিদ দিয়েছেন এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, বিমানের পাইলট গুরুত্বপূর্ণ পেশা। এখানে স্বজনপ্রীতির সুযোগ নেই। তাই যারা প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন তাদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

   

এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ ওয়াহিদুল আলম বলেন, 'জালিয়াতি করে পাইলট পদে চাকরি নিয়ে কিছুদিন চাকরিও করে গেলো। এটা আসলে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ হয়েছে। আর এই অপরাধের শাস্তি হিসিবে শুধু চাকরিচ্যুত করা যাবে না। তাদেরকে ক্রিমিনাল ধারায় এনেও শাস্তি দেওয়া উচিত।'

   

বেসামরিক বিমান চলাচল আইন অনুযায়ী, যদি কোনও ব্যক্তি শিক্ষা সনদ, নিবন্ধন সনদ, লাইসেন্স অথবা পারমিট জাল বা পরিবর্তন করেন বা চেষ্টা করেন, তাহলে অনধিক ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।