Sunday, 25 October 2026
শিরোনাম
প্রবাসীর স্ত্রীর ভিডিও ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার বিয়ের দাবিতে বিচারকের বাড়িতে শিক্ষিকার অনশন! বিধবা নারীর সঙ্গে প্রেম: মামাকে রাস্তা থেকে সরাতে ডেকে নিয়ে খুন করল ভাগিনা! সেনাবাহিনীর পোশাকে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, স্বর্ণ-টাকা লুট টঙ্গীর সেই মাদ্রাসা শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর মেলান্দহে ভূমি অফিসের নিলামকৃত গাছ কাটা নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন বিতর্কের মুখে ষষ্ঠ শ্রেণির বই থেকে বাদ ‘দাঁড়িপাল্লা’, জ্ঞানের পিরামিডে থাকছে না কোনো আইকন প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তা আবারও যমুনা সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ প্রধানমন্ত্রীর বাসে স্নাইপার নিয়ে মন্তব্যকারী যুবকের ৭ দিনের রিমান্ড
এক্সক্লসিভ

দেবীগঞ্জে বিরল প্রজাতির হিমালয়ান শকুন উদ্ধার

• • পঠিত 9 বার
শেয়ার করুন:
দেবীগঞ্জে বিরল প্রজাতির হিমালয়ান শকুন উদ্ধার

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে বিরল প্রজাতির একটি হিমালয়ান শকুন উদ্ধার করেছে এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়নের ভাউলাগঞ্জ বানিয়াপুর প্রধান পাড়া এলাকায় শকুনটি উদ্ধার করা হয়।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে বানিয়াপুর প্রধান পাড়া এলাকার একটি কৃষিজমির পাশে ছাগল বাঁধা ছিল। ছাগল ধরার উদ্দেশ্যে শকুনটি নিচে নামার সময় গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে পড়ে যায় এবং জমিতে ব্যবহৃত জালের সঙ্গে আটকে পড়ে। পরে স্থানীয় কৃষক আক্কেল আলী ও তার ছেলে তারেক শকুনটিকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করেন।

 

খবরটি জানাজানি হলে এলাকাবাসী বিষয়টি দেবীগঞ্জ উপজেলা বনবিভাগকে অবহিত করে। পরে বনবিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে শকুনটিকে উদ্ধার করে দেবীগঞ্জ উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়ে আসে।

 

হিমালয়ান শকুন উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে দেবীগঞ্জ উপজেলা বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মঞ্জুরুল করিম বলেন, সন্ধ্যায় একটি হিমালয়ান শকুন উদ্ধার করা হয়েছে। শকুনটির ওজন আনুমানিক ৯ কেজি। স্থানীয়রা খবর দিলে বনবিভাগের স্টাফরা গিয়ে সেটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। শুক্রবার শকুনটিকে দিনাজপুরের সিংড়া ফরেস্টে পাঠানো হবে।

 

উল্লেখ্য, হিমালয়ান শকুন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শিকারী পাখি এবং এশিয়ার অন্যতম বড় শকুন প্রজাতি।  'হিমালয়ান গৃধিনী' নামে পরিচিত। হিমালয় পর্বতমালা ও তিব্বতি মালভূমি এদের প্রধান আবাসস্থল। প্রতি বছর শীতকালে (অক্টোবর থেকে মার্চ) প্রচণ্ড ঠান্ডা ও খাবারের সন্ধানে এরা পরিযায়ী হয়ে বাংলাদেশে আসে। দীর্ঘ এই যাত্রায় ক্লান্ত ও ক্ষুধার্ত হয়ে অনেক সময় লোকালয় কিংবা ধানক্ষেতে অসহায় অবস্থায় পড়ে যেতে দেখা যায়।

 

সিরাতুল মোস্তাকিম  নিজস্ব প্রতিবেদক

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।