Saturday, 24 October 2026
শিরোনাম
বিএনপি নেতার স্ত্রীকে নিয়ে উধাও কথিত মামা, অতঃপর.... ৭ বছরের শিশুকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ, গণধোলাইয়ের পর মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ গ্রেপ্তার নাহিদ ইসলামকে আহ্বায়ক করে এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন বাংলাদেশে ৬৩৬ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে জাপান ১৩ বছর বয়সী ছাত্রীকে ধর্ষণে সহায়তা করেছিলেন মাদ্রাসাশিক্ষকের স্ত্রী, গ্রেপ্তার নওগাঁয় শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে মাইকিং,গ্রেপ্তার ২ ফরিদপুরে বাস-অ্যাম্বুলেন্স সংঘর্ষে নিহত ৩ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর গাড়িবহরে হামলা বিএনপি নেতা প্রয়াত সালাউদ্দিন আহমেদের কুলখানি অনুষ্ঠিত সরকারি সফরের নামে স্ত্রীকে নিয়ে ভ্রমণে রেল সচিব
এক্সক্লসিভ

দরকষাকষিতে মেলেনি অ্যাম্বুলেন্স, নবজাতকের মৃত্যু

• • পঠিত 7 বার
শেয়ার করুন:
দরকষাকষিতে মেলেনি অ্যাম্বুলেন্স, নবজাতকের মৃত্যু

রাত সাড়ে ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত চলে দরকষাকষি। এই সময়ের মধ্যে একটি অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করতে পারেননি মো. রোহান। এই জরুরি পরিবহন না পেয়ে ময়মনসিংহে হাসপাতালে নিতে পারেননি তার নবজাতক ছেলেকে। অবশেষে কিশোরগঞ্জে মারা যায় নবজাতক।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাতে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। নবজাতকের মৃত্যুর খবরে শনিবার সকাল থেকে হাসপাতালে ভিড় করেন স্বজনরা, চলে বিক্ষোভ ও কান্নার রোল।

মৃত নবজাতক কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়নের মীরপাড়া গ্রামের মো. রোহানের ছেলে।

জানা যায়, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে শিশুটির জন্ম হয়। জন্মের পরপরই সে শ্বাসকষ্টে ভুগতে শুরু করলে জরুরি ভিত্তিতে তাকে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালে ভর্তি করার পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহে রেফার করেন চিকিৎসক। কিন্তু সেখানেই শুরু হয় দুর্ভোগ। হাসপাতালের গেটে গিয়ে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স খোঁজেন স্বজনরা। চালকরা ময়মনসিংহ যাওয়ার জন্য ভাড়া দাবি করেন সাড়ে ৪ হাজার টাকা।

স্বজনরা জানান, সরকারি ভাড়া ১ হাজার ৬০০ টাকা হলেও তারা প্রথমে ৩ হাজার ৫০০ এবং পরে ৪ হাজার টাকা দিতে রাজি হন। তবুও চালকরা অনড় থাকেন। সিন্ডিকেটের কারণে অন্য কোনো গাড়িকেও রোগী নিতে দেওয়া হয়নি। এই দরকষাকষির মধ্যেই রাত ৩টার দিকে নবজাতকটি মারা যায়।

নবজাতকের বাবা মো. রোহান বলেন, হাসপাতালের পাশেই আমার বাড়ি। যদি আমার সঙ্গেই এমন হয়, তাহলে দূরের রোগীদের কী অবস্থা।

নবজাতকের দাদা জুয়েল মিয়া বলেন, চোখের সামনে আমার নাতি মারা গেল, শুধু গাড়ি না পাওয়ার কারণে। অনেক অনুরোধ করেছি, কেউ নেয়নি। আমার নাতিকে বাঁচতে দিল না ওরা।

হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আগে জানতাম না। কেউ জানালে ব্যবস্থা নেওয়া যেত। এখন খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. অভিজিত শর্মা বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।