Friday, 6 November 2026
শিরোনাম
১০০ টাকা চাওয়ায় মায়ের বকুনি, পরে মিলল পিংকির নিথর দেহ বিনামূল্যে ওমরাহর সুযোগ দিচ্ছে সৌদি আরব, আবেদন করবেন যেভাবে থ্রিডি ম্যাপে ট্রেনের লাইভ অবস্থান দেখাচ্ছে ‘ট্রেন কোথায়’, যেভাবে দেখবেন আপনাদের পয়সা না দিলে শ্রমিকদের ৩০ না ৪০ হাজার টাকা বেতন দিতে পারতাম দুই ধাপে মিলবে ড্রাইভিং লাইসেন্স, আবেদনের নিয়ম ও ফি জানাল বিআরটিএ এবার দেবীগঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ের রুটিতে মিলল ধারালো ব্লেড! মক্কেলের টাকার বিবেচনায় নয়, আইনজীবী হিসেবেই আদালতে দাঁড়াতে হবে: আইনমন্ত্রী ‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত’ বলা সেই হাফিজ এখন জেলা জামায়াতের আমির এপেক্স ক্লাব অব ঢাকা মিডটাউনের প্রেসিডেন্ট রিফাত-সেক্রেটারি সেলিম ঢাবি শিক্ষার্থীকে ১ টাকা জরিমানা, জমা দিতে যেতে হয় ব্যাংকে
জেলার খবর

টিকটকে প্রেম, স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে তরুণীর অনশন

• • পঠিত 8 বার
শেয়ার করুন:
টিকটকে প্রেম, স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে তরুণীর অনশন

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পশ্চিম নাওডোবায় স্ত্রীর মর্যাদার দাবিতে কক্সবাজারের এক তরুণী অনশন করছেন। ২০ ডিসেম্বর (বুধবার) দুপুরে উপজেলার পশ্চিম নাওডোবা ইউনিয়নের আবেদ আলী মুন্সি কান্দি গ্রামের জাহাঙ্গীর ফকিরের ছেলে সজিব ফকিরের (২৮) স্ত্রী দাবি করে অনশন করেন তিনি।

 

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই তরুণী এবং জাজিরার সজিব ফকির দুজনেই সৌদি প্রবাসী ছিলেন। ভিডিও শেয়ারিং প্লাটফর্ম টিকটকের মাধ্যমে সজিব ফকিরের সাথে প্রায় আড়াই বছর আগে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে তরুণীর। এক বছর দুই মাস আগে সৌদিতে থাকা অবস্থায় তারা এক হুজুরের মাধ্যমে বিয়ে করেন।

 

এরপর দুজনে একসাথেই ছিলেন সৌদি আরবে। সৌদিতে থাকা অবস্থায় তাদের মাঝে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়। একপর্যায়ে মেয়েটি প্রেগন্যান্ট হলে বন্ধুর মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে ঔষুধ নিয়ে চার মাসের বাচ্চাকে নষ্ট করে ফেলে সজিব ফকির। একপর্যায়ে তারা সিদ্ধান্ত নেয় এভাবে আর থাকা যাবে না তাই আমেনা বেগম গত মাসে বাংলাদেশে এসে ঢাকায় কাজীর মাধ্যমে দুজনে কাবিন করেন।

 

ভুক্তভোগী তরুণী বলেন, দেশে আসার পর থেকেই সজিব ফকির আমার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় এবং আমাদের গোপন মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও বিভিন্ন সোশ্যাল প্লাটফর্মে ভাইরাল করে দেয়। আমাকে প্রতিনিয়ত হুমকি দেয়, এতদিন আমি তোমাকে শুধু ইউজ করেছি। আমাদের মাঝে সবই ছিল টাইম পাস।

   

এখন আমি কোনো উপায়ন্তর না পেয়ে সজিবের বাড়িতে চলে আসি। এই বাড়িতে আসার পরে সজিবের মা এবং বোনেরা আমাকে মারধর করে। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি বাঁচলে স্ত্রীর মর্যাদা নিয়ে এই বাড়িতে বাঁচব আর নয়তো বিষ পান করে আমি আত্মহত্যা করব।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।