ইরানের সঙ্গে সমঝোতা না হলে দেশটিতে আবারও সামরিক অভিযান শুরু করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় রোববারই নতুন করে হামলা চালানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তেহরান ওয়াশিংটনের শর্ত মেনে ‘বড় চুক্তিতে’ রাজি হলে সামরিক পদক্ষেপ এড়ানোর সুযোগও রয়েছে।
গত কয়েক দিন ধরেই ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই শনিবার (২৪ অক্টোবর) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সম্ভাব্য অভিযানের সময় নিয়ে কথা বলেন ট্রাম্প। হামলা কবে শুরু হতে পারে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা হামলার বিষয়টি বিবেচনা করছি। সম্ভবত আগামীকাল (রোববার) হতে পারে।’
ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরান চুক্তিতে আগ্রহী হলেও সেটি মেনে চলার বিষয়ে দেশটির প্রতিশ্রুতি নিয়ে সংশয় রয়েছে। তিনি বলেন, ‘ইরানিরা চুক্তি চায়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, তারা চুক্তির শর্ত পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকতে পারবে কি না।’
ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখাই তার প্রধান লক্ষ্য বলে দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। গত বছরের জুনে বি-২ বোমারু বিমান ব্যবহার করে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্পের দাবি, চলতি বছর আবারও হামলার সিদ্ধান্ত না নিলে গত বছরের অভিযান ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে ঠেকানোর ক্ষেত্রে যথেষ্ট হতো কি না, তা নিয়ে সন্দেহ থেকে যেত।
এদিকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যুদ্ধ শুরুর আগের মতোই তেল পরিবহন হচ্ছে বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। তবে এ বক্তব্যের সমর্থনে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।
ইরান চুক্তিতে সম্মত না হলে সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশটিকে বাধ্য করা হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘আমাকে হয়তো কাজটি সম্পন্ন করতে হবে। অন্যথায় তারা চুক্তিতে আসতে পারে। তবে আমি নিশ্চিত নই। সামরিক অভিযান হোক বা চুক্তি—যেভাবেই হোক, আমরা জিতব।’
সূত্র: আনাদোলু





