মাত্র ১৫ মাসে কোরআনে হাফেজ হয়েছেন শিশু মো. হামিম। লক্ষ্মীপুরের কৃষক পরিবার থেকে উঠে আসা হামিমের বয়স মাত্র ৯ বছর। শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার (১০নং ওয়ার্ড) মাষ্টার কলোনি এলাকায় এ মেধাবী শিশুটিকে নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ওই সময় এলাকার 'তালীমুল উম্মাহ মডেল মাদ্রাসা' ক্যাম্পাসে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। সেখানে দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন - বটতলী জামিয়া ইসলামিয়া উলুম মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মুফতি ইউনুস আহমেদ।
হাফেজ মো. হামিম সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের (৭নম্বর ওয়ার্ড) দক্ষিণ কালির চর গ্রামের কৃষক আলী হোসেনের ছেলে। তার স্বপ্ন বড় হয়ে সে একজন বিখ্যাত আলেম হবে। মানুষের জন্য কাজ করবে।
হাফেজ হামিমের কৃষক বাবা আলী হোসেন বলেন, সত্যিই তিনি আজ অনেক আনন্দিত। এ বয়সে তার সন্তান মাত্র ১৫ মাসে কোরআন শরীফ (মুখস্থ) করে ৯ বছরে হাফেজ হয়েছে। তিনি তার ছেলেকে একজন সৎ আলেম বানাবেন। এজন্য সবার কাছে দোয়া চান তিনি।
হাফেজ হামিমের নানা আবু তাহেরও অনেক খুশি। তার চোখে-মুখে আনন্দের ছাপ। তার আশা - এক দিন হামিম প্রখ্যাত আলেম হবে। ইসলাম প্রচারে এগিয়ে আসবে। পবিত্র কোরআনের আলোয় আলোকিত করবে মানব সমাজ।
এ বিষয়ে তালীমুল উম্মাহ মডেল মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হাফেজ মাওলানা আনোয়ার হোসাইন জানান, আজ থেকে তার শিক্ষার্থী মো. হামিম একজন হাফেজ। পবিত্র কোরআন শরীফের প্রতিটি শব্দ তার মুখস্থ। এ আগেও তার মুখের তেলাওয়াত শুনে মুগ্ধ হয়েছেন অনেক আলেম। হামিম সঠিকভাবে পড়ালেখা করলে সত্যিই এক দিন অনেক বড় মাপের আলেম হবে। আমরা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।
দোয়া প্রর্থনার সময় মুহাদ্দিস মুফতি ইউনুস আহমেদ বলেন, তিনি অনেক হাফেজ দেখেছেন। তবে হামিমের মতো এতো সুন্দর কোরআন তেলাওয়াত এর-আগে আর তার চোখে পড়েনি।
কৃষক আলী হোসেনকে তিনি বলেন, কষ্ট করে হলেও হামিমকে পড়াতে হবে। কারণ, তার মেধা শক্তি এতটা চমৎকার যে সত্যিই এক দিন সে বড় আলেম হবে।





