জামালপুরে কোরআন তেলাওয়াত, আলোচনা সভা, শুভেচ্ছা বিনিময় ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন এর ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে এ উপলক্ষে জামালপুর সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে ‘টেকসই কৃষি উন্নয়নে ডিপ্লোমা কৃষিবিদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন জামালপুর জেলার সভাপতি কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মাছুদুল হক সুমনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামালপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন। প্রধান বক্তা ছিলেন ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন এর কেন্দ্রীয় সভাপতি জিয়াউল হায়দার পলাশ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, জামালপুরের উপপরিচালক মোহাম্মদ আলম শরীফ খান, ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন এর মহাসচিব সৈয়দ জাহীদ হোসেন, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস. টি. আহম্মেদ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল, জামালপুর জেলা শাখার সদস্য সচিব মো. গাউসুল আজম শাহীন।
বক্তারা জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষিজমি হ্রাস এবং খাদ্য নিরাপত্তার মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ ও প্রশিক্ষিত কৃষি জনশক্তি গড়ে তোলার বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের পেশাগত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা দেশের কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানান।
এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা হয়। পরে জাতীয় সংগীত ও অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেওয়া হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষি খাতের দক্ষ জনবল গড়ে তোলার বিকল্প নেই। ডিপ্লোমা কৃষিবিদরা মাঠপর্যায়ে কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি কাজ করে কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থার প্রসারে তাদের অবদান আরও বিস্তৃত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
সভাপতির বক্তব্যে কামরুল হাসান বলেন, ডিপ্লোমা কৃষিবিদরা দীর্ঘদিন ধরে কৃষকদের পাশে থেকে কৃষি উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। কৃষির টেকসই উন্নয়ন, কৃষকের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পেশার মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় আমাদের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন এর কেন্দ্রীয়, বিভাগীয় ও বিভিন্ন জেলা উপজেলার পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
আলোচনা সভা শেষে জুলাই গনঅভ্যুত্থানে শহীদদের মাগফিরাত কামনা ও সংগঠনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।