শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল মনিটরিং করেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার দুপুরে হাসপাতালের চিকিৎসকের কক্ষ, শিশুসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে মনিটরিং করেন তাঁরা।
এসময় বেশিরভাগ কক্ষে চিকিৎসক পাননি শিক্ষার্থীরা। এছাড়া সঠিকভাবে রোগীরা চিকিৎসা পাচ্ছে না, হাসপাতালের কক্ষ, খাবার নোংরা ও দালাল পান তাঁরা। পরে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের কক্ষে গিয়ে তাঁকে না পেয়ে হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সিনিয়র কনসালটেন্ট গাইনি ডা. হোসনে আরা রোজীকে বিষয়গুলো জানানো হয়।
এ সময় বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে ১১ দফা দাবি জানিয়ে ৭ দিনের আল্টিমেটাম দেন শিক্ষার্থীরা। ৭ দিনের মধ্যে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেন তাঁরা।
বায়েজিদ আহাম্মেদ নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমাদের কাছে সদর হাসপাতাল নিয়ে অনেক অভিযোগ এসেছে। আমরা হাসপাতালের অনিয়মের সন্ধান পেয়েছি। যেমন টিকিটের অনিয়ম ও ভোগান্তি, বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহের ক্ষেত্রে অনিয়ম, রোগীদের খাবারে অনিয়ম, চিকিৎসকদের ডিউটিতে আসার অনিয়ম, চিকিৎসকদের সকাল ৮টায় আসার কথা থাকলেও বেশিরভাগ চিকিৎসক আসেন ১১টা থেকে ১২টার দিকে, হাসপাতালে নার্সদের অসৎ আচরণ, হাসপাতালে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য, হাসপাতাল অপরিষ্কার ও অপরিচ্ছন্নসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।
এগুলো আমরা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের কাছে তুলে ধরতে গিয়ে তাকে অফিসে পাইনি। পরে হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সিনিয়র কনসালটেন্ট গাইনি ডা. হোসনে আরা রোজী ম্যাডামকে বিষয়গুলো জানাই। এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ৭ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছি। আমাদের দাবি পূরণ না হলে আমরা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হাবিবুর রহমানসহ অন্য ডাক্তারদের পদত্যাগের জন্য কঠোর আন্দোলন করব।’





