বান্দরবানের রুমা উপজেলার পাইন্দু ইউনিয়নের মুয়ালপি পাড়ায় ইউপিডিএফ(গণতান্ত্রিক) এবং কেএনএফ এর মধ্যে গত সোমবার সন্ধ্যা থেকে গোলাগুলি শুরু হয়ে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত টানা ১০ ঘন্টা যুদ্ধ হয়। এ ঘটনায় বয়রামসাং বম নামের কেনএফএর একজন সদস্য নিহত হয়েছে।
নিহত সদস্যের লাশ পরিবারের নিকট ফিরিয়ে না দিয়ে এবং ধর্মীয় নিয়ামবলির মাধ্যমে সদকারের ব্যবস্থা না করে, ঘটনাস্থলে গর্ত খুড়ে পুতে ফেলেছে কেএনএফ অন্যান্য সদস্যরা।
রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন জানিয়েছেন, মঙ্গলবার মুয়ালপি পাড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কেএনএফের সাথে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের গুলি বিনিময় হয়। পরে ওই পাড়ায় একটি কবরের সন্ধান পেয়ে সেখানে বৃহ্স্পতিবার সকালে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর লোকজন সেখানে যায়। পরে মাটি খুঁড়ে একটি অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।
এই ব্যাপারে কেএনএফ এর পক্ষ থেকে অফিসিয়াল ভাবে কোনো বিবৃতি পাওয়া যায় নি। তবে বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানিয়েছে গোলাগুলির ঘটনায় একজন কেএনএফ সদস্য নিহত হয়েছে, পরে লাশ ঘুম করে ফেলার জন্য ঘটনাস্থলেই গর্ত খুড়ে লাশ পুতে ফেলেছে কেএনএফ এর অন্যান্য সদস্যরা।
এই ব্যাপারে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ,বান্দরবান জেলা শাখার সভাপতি জনাব আসিফ ইকবাল জানায়, গ্রামের সাধারণ পাহাড়ি তরুণদের জোর পূর্বক ধরে এনে যুদ্ধের ময়দানে এভাবেই গণকবর দিচ্ছে কেএনএফ। রাষ্ট্রের প্রত্যেক নাগরিকের শিক্ষা,চিকিৎসার অধিকার আছে। যারা নিজ সদস্যদের মৌলিক অধিকারটুকু দিতে পারে না,তারা কিভাবে পৃথক রাষ্ট্র গঠন করে সাধারণ পাহাড়িদের অধিকার বাস্তবায়ন করার ফাকা বুলি ছড়াচ্ছে।





