যশোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৯তম শাহাদৎ বার্ষিকী পালন করেছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) বেলা ১১ টার দিকে শহরের বকুলতলাস্থ শেখ মুজিবর রহমানের ক্ষতবিক্ষত ম্যুরালে শ্রদ্ধা জানিয়েছে তারা।
এ সময় নেতাকর্মীরা জানান, জেলা আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনগুলোর ব্যানারে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেও উপস্থিত ছিলেন না সংগঠনগুলোর শীর্ষ নেতারা। সংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী কয়েক মিনিটের মধ্যে ম্যুরাল প্রাঙ্গণে উপস্থিত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করে দ্রুত কর্মসূচি শেষ করেন তারা। এ সময় নেতাকর্মীরা দেশের সর্ববৃহৎ বঙ্গবন্ধু ম্যুরালটি এভাবে ক্ষতবিক্ষত দেখে উপস্থিত নেতাকর্মীরা আবেগে আপ্লত হয়ে পড়েন। একই সঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।
এদিকে, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কর্মসূচি শেষে চলে যাওয়ার পরে শ্রদ্ধা জানানো বেদিতে রাখা ফুলের ডালি নিয়ে ভাঙচুর ও তছনছ করেছে দুবৃর্ত্তরা। এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। আওয়ামী লীগের কর্মসূচিকে ঘিরে ম্যুরাল প্রাঙ্গণ বা শহরের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদের অবস্থান করতেও দেখা যায়নি। তবে শেখ হাসিনার বিচারের দাবিতে শহরে বিভিন্নস্থানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।
জেলা আওয়ামী লীগের উপদপ্তর সম্পাদক ওহিদুল ইসলাম তরফদার জানান, শীর্ষ নেতারা রাজনীতিক এই পরিস্থিতির কারণে প্রকাশ্যে না আসতে পারলেও তাদের নির্দেশে কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছিলো। কিন্তু নেতাকর্মীরা শ্রদ্ধা জানিয়ে চলে যাবার পর আমাদের ফুলের ঢালিও ভাঙচুর করা হয়েছে। দোয়া মাহফিলের আয়োজন থাকলেও সেটাও করা যায়নি।
এদিকে, থমথমে পরিস্থিরি মধ্যে শহরের পুরাতন কসবাসহ বিভিন্নস্থানে আওয়ামী লীগ খাবার বিতরণ করে। এসব কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র হায়দার গণি খান পলাশ, জেলা আওয়ামী লীগের বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক শেখ আতিকুর রহমান বাবু, উপ-দপ্তর সম্পাদক ওহিদুল ইসলাম তরফদার, মোবাশ্বের হোসেন বাবু, অ্যাডভোকেট আলী রায়হান, অধ্যক্ষ হারুন-অর-রশীদ, সেলিম আহমেদ, মারুফ হোসেন খোকন, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জ্যোৎস্না আরা মিলি, জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মঈউদ্দিন মিঠু প্রমুখ।





