জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আজম এম.পির সেক্রেটারি পরিচয়ে প্রতারনার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী রায়হান রহমতুল্লাহ রিমু নামে এক শিক্ষক বাদী হয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেছেন।
জিডি সূত্রে জানা যায়, মাদারগঞ্জের মির্জা রওশন আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রায়হান রহমতুল্লাহ রিমুর ফোনে ০১৭৫৩৭০৯৬৫২ নম্বর থেকে গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টা ১১ মিনিটে ফোন আসে। ফোনে নিজেকে মির্জা আজমের সেক্রেটারি নাদিম মোস্তফা পরিচয় দিয়ে বিকাশের মাধ্যমে ৭ হাজার টাকা দাবি করেন ওই প্রতারক।
জিডিতে আরো বলা হয়, মির্জা রওশন আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও মৌলভী শিক্ষকের জন্য বিনামূল্যে হজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তার ভিসা প্রসেসিং বাবদ ওই সাত হাজার টাকা পাঠাতে বলে প্রতারক। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে তিনি প্রতারকের পরিচয় জানতে চান।
তখন প্রতারক একেক সময় একেক কথা বলে ফোন কেটে দেন। পরে প্রধান শিক্ষক সংসদ সদস্য মির্জা আজমকে বিষয়টি জানালে তিনি বিষয়টি ভিত্তিহীন ও প্রতারণা বলে আশ্বস্ত করেন। সেই সঙ্গে তাঁকে থানায় জিডি করার পরামর্শ দেন। পরে ভবিষ্যত চিন্তা করে থানায় সাধারন ডায়েরি করেন প্রধান শিক্ষক।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক রায়হান রহমতুল্লাহ রিমু বলেন, মির্জা আজম এমপির সেক্রেটারি পরিচয়ে টাকা দাবি করার বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছি।
সাধারণ ডায়েরির বিষয়ে জানতে চাইলে মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুল হক বলেন, এমপির সেক্রেটারি পরিচয়ে প্রতারণা চেষ্টার অভিযোগে থানায় জিডি হয়েছে। অভিযুক্ত প্রতারকের মোবাইল নাম্বার ট্রেকিং তাকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে।





