Friday, 4 September 2026
শিরোনাম
জেলার খবর

মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে ছাত্রকে বলৎকারের অভিযোগ,

admin • 09 Dec 2024, 07:25 AM • পঠিত 3 বার
শেয়ার করুন:
মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে ছাত্রকে বলৎকারের অভিযোগ,

কুষ্টিয়া শহরের ঈদগাহ পাড়ায় অবস্হিত জামিউল উলুম মাদ্রাসার সুপার মাহবুব হাসানের বিরুদ্ধে মাদ্রাসার একজন ছাত্র কে বলৎকারের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ ঘটনার পর মাদ্রাসা বন্ধ করে পালিয়ে গেছে মাহবুব হাসান।

মামলার এজাহার ও সূত্রে জানা যায়,শিশু (১১) মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের একজন আবাসিক ছাত্র। সে গত ২১ নভেম্বর দিবাগত রাতে মাদ্রাসার একটি কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল। আনুমানিক রাত সাড়ে ১১টার দিকে চুপিসারে একজন ভিকটিমের মুখ চেপে ধরে। জেগে উঠলে ভয় ভীতি দেখিয়ে উপুড় করে তাকে বলৎকার করে। ঘটনার সময় শিশুটি চিনে ফেলে ঐ ব্যক্তি মাদ্রাসার বড় হুজুর। এরপর কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়ে ভিকটিম। তাকে আবারও হুমকি দেয়া হয় বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য।

 

২৫ নভেম্বর ভিকটিম মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাড়িতে এসে মায়ের কাছে ঘটনা খুলে বলে। এরপর শিশুটির পিতা বাদি হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ২০০০এর ৯(১) ধারায় জোরপূর্বক ধর্ষণ অপরাধে জড়িত অভিযোগ এনে মাদ্রাসা সুপার হাফেজ মাহবুব হাসানের নামোল্লেখসহ কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি মোঃ শেহাবুর রহমান জানান, ‘গত ২৬নভেম্বর শহরের কোর্টপাড়াস্থ একটি কওমী মাদ্রাসার শিশু ছাত্রকে বলাৎকার অভিযোগ এনে শিশুটির পিতা মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। এমামলার এজাহার নামীয় আসামী মাহবুব হাসানকে গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান অব্যহত আছে। এমামলার এজাহার নামীয় আসামী মাহবুব হাসান ওই মাদ্রাসার আরও কয়েকজন শিশুকেও বলাৎকার করেছে বলে শিশুটি আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছে।

 

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: তাপস কুমার সত্যতা জানিয়ে বলেন, ‘গত ২৬নভেম্বর কুষ্টিয়া শহরের কোর্টপাড়ার একটি মাদ্রাসার শিশু ছাত্র বলাৎকারের শিকার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলো। শিশুটি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হয়েছে’।

 

হাফেজ মাহবুব হাসান চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুরহুদা থানার কুতুবপুর গ্রামের মোঃ আব্দুল ওয়াহেদ এর পুত্র। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কুষ্টিয়ার বিভিন্ন হাফেজিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেছেন। কয়েক বছর আগে ঈদগাহ পাড়ার অপর এক মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ একই অভিযোগে তাকে চাকরি চ্যুত করেছিল।সম্প্রতি সে নিজেই একটি মাদ্রাসা পরিচালনা করে আসছিল। মাদ্রাসার নাম দেন জামিউল উলুম মাদ্রাসা।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।