মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে রেখে জামালপুরের তিনটি উপজেলায় ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হয়েছে। জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার ১৪টি, ইসলামপুর উপজেলার ৫টি এবং মাদারগঞ্জ উপজেলার ১টি গ্রামে এই ঈদ উদযাপন করা হয়।
শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় সরিষাবাড়ী পৌরসভার বলারদিয়ার মধ্যপাড়া মাস্টার বাড়ি জামে মসজিদ মাঠে প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ঈদ জামাতে ইমামতি করেন বলারদিয়ার জামে মসজিদের খতিব আজিম উদ্দিন মাস্টার। ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ঈদের জামাতে পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও অংশগ্রহণ করেন। ঈদের নামাজে অংশ নিতে আসা মোঃ আপন বলেন, তার পরিবারের মধ্যে একমাত্র তিনিই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদের নামাজ আদায় করেন। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চাঁদ দেখা গেছে, তাই আমরা নামাজ আদায় করছি। আমার মতে, চাঁদ দেখার ক্ষেত্রে ভৌগলিক সীমারেখার কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখি, চাঁদ দেখে ঈদ করি। শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে বলেই আমরা সালাত আদায় করছি। আমরা অন্য কোনো দেশের সঙ্গে মিল রেখে নয়, বরং চাঁদের ওপর নির্ভর করেই নামাজ আদায় করি। হাসেন আলী বলেন, আমি প্রায় ৩০ বছর ধরে এই নিয়মে নামাজ আদায় করছি। আমরা সৌদির সঙ্গে মিলিয়ে নয়, বরং চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে ঈদ পালন করি। স্থানীয় মোঃ হাফিজুর রহমান জানান, উপজেলার বলারদিয়ার, মূলবাড়ী, সাতপোয়া, সাঞ্চারপাড়, পঞ্চপীর, পাখাডুবি, বনগ্রাম, বালিয়া, বাউসী, হোসনাবাদ, পাটাবুগা, পুঠিয়ারপাড় ও বগারপাড় গ্রামের প্রায় তিন শতাধিক মানুষ এই জামাতে অংশ নেন। মসজিদের খতিব আজিম উদ্দিন মাস্টার বলেন, প্রায় ২০ বছর ধরে আমাদের এই মসজিদের সামনে ঈদের নামাজ আদায় করা হচ্ছে। আগে ৩ থেকে ৪শ মুসল্লি অংশ নিতেন। এখন বিভিন্ন স্থানে জামাত ভাগ হয়ে যাওয়ায় কিছুটা কম উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। এছাড়াও ইসলামপুর উপজেলার নৌয়ারপাড়া ইউনিয়নের রামবদ্রা গ্রামেও একইভাবে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।





