বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) রংপুরের মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শেখ মাজেদুল হকের ছেলে (জাবির) বহিরাগত ব্যাক্তির বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় আহত হয়েছে।
আজ (বৃহস্পতিবার) বিকাল ৫ টায় (১০ই নভেম্বর ২৩) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ার সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়, জাবির তার সাইকেল নিয়ে ক্যাফেটেরিয়ার রাস্তায় সাইকেল চালাচ্ছিল। হঠাৎ করে বেপরোয়া একটি মোটরসাইকেল এসে জাবিরের সাইকেলে ধাক্কা দেয়। মোটর সাইকেলের ধাক্কায় জাবির মাটিতে লুটিয়ে পড়ে যায় এবং ডান পায়ে আঘাত পায় ব্যাপক রক্ত ঝরে ।
তাৎক্ষণিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী বেরোবির মেডিকেল সেন্টার নিয়ে যায়। কিন্তু মেডিকেল সেন্টার শুক্রবার বন্ধ থাকায় তাকে সেখানে চিকিৎসা করাতে পারেনি।
পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে সরাসরি রংপুর মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। রংপুর মেডিকেলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। ডান পায়ে ছয়টি সেলাই দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন জায়গায় সতর্কমূলক সাইনবোর্ড দেওয়া আছে, এখানে লেখা প্রতি ঘণ্টা ১০ কিলোমিটার বেগে গাড়ি চালানো হবে। কিন্তু কেউ এই নিয়ম না মেনে বেপরোয়া গাড়ি চালায়। এতে করে জীবন ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
ইতিপূর্বে এই সবুজ চত্বরে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মচারী, কর্মকর্তা, এবং তাদের সন্তানেরা ও শিক্ষার্থীরা বেপরোয়া গাড়ির এক্সিডেন্টে শিকার হতে বসে ছিল। এরপরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোন তৎপরতা দেখা যায়নি।
শেখ মাজেদুল হক বলেন, আমি চাই বেরোবিতে বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালান নিষিদ্ধ করা হোক। যদি কেউ মোটরসাইকেল নিয়ে প্রবেশ করে তাহলে তাকে অবশ্যই পাস নিয়ে ঢুকতে হবে।
যে গতিসীমা দেওয়া আছে সেই গতিসীমা মেনে গাড়ি চালাতে হবে। বহিরাগত বেপরোয়া মোটরসাইকেলের এক্সিডেন্টে আর যাতে কারো কিছু না হয় এই দাবি প্রশাসনের কাছে। সকলের কাছে আমার সন্তানের সুস্থতার জন্য করছি দোয়া কামনা করছি।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো: শরিফুল ইসলাম বলেন, এই বেপরোয়া গাড়ি না চালানোর জন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের বিশ্ববিদ্যালয় সাইনবোর্ড দিয়েছি। যারা এভাবে বেপরোয়া গাড়ী চলায় তাদের আইনগত কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয় নাই।
কিন্তু আমরা তাদেরকে সতর্ক করছি। যে লোকটি এভাবে বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালিয়ে এক্সিডেন্ট করেছে তাকে ধরার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী চেষ্টা করছে।





