বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্তে বহুল আলোচিত র্যাবের ওপর হামলা ও ডিজিএফআইয়ের কর্মকর্তা নিহতের ঘটনায় অবশেষে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আর এই মামলায় আরসা নেতা আতাউল্লাহ সহ ২০ জনের নাম উল্লেখ করে ৩০-৩৫ কে আসামি করা হয়েছে।
আসামীরা হলেন, আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) নেতা আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনি, ওস্তাদ খালেদ, মৌলভী মোস্তাক, মৌলভী আরিফ আহম্মেদ প্রকাশ ওরফে আরফা আহম্মেদ, আব্দুর রহমান ওরফে নবী হোসেন, জাহিদ হোসেন ওরফে লালু, মো: জুবায়ের, মৌলভী শাকের ওরফে মাস, মো: এমরান ওরফে আপ্পান, মো: হাসান, কায়সার ওরফে সাবের,
মো: আলম, রহমত করিম, জিন্নাত উল্লাহ ওরফে জান্নাত উল্লাহ, মৌলভী জাকারিয়া, নোমান চৌধুরী, নুর আলম বাসিয়া মৌলভী অলি আহম্মদ ওরফে মৌলভী আকিজ, নুর কামাল ওরফে সামিউদ্দিন, বরার ভাই ওরফে নজিব ওরফে আব্দুল ওয়াদুদ। আসামীদের অধিকাংশ আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা)র সদস্য ও মিয়ানমারের রোহিঙ্গা।
শনিবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলের দিকে মামলা লিপিবদ্ধ করার কথাটি নিশ্চিত করেছেন বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি তদন্ত মোহাম্মদ শাহজাহান।
ওসি জানান, ডিজিএফআইয়ের কর্মকর্তা নিহত ঘটনায় ডিজিএফআই কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন মামলার বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ২০ জনের নামীয় আসামি করা হয়েছে এবং অজ্ঞাত আরও ৩০-৩৫ কে আসামি হিসেবে লিপিবদ্ধ রয়েছে।





