বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ক্যশৈহ্লা ও সাধারণ সম্পাদক লক্ষীপদ দাশকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ, মিথ্যাচার, বানোয়াট এবং অশালীন বক্তব্য দেয়ার প্রতিবাদে বান্দরবানে বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ মে) সকালে বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে বান্দরবান রাজারমাঠ এলাকা থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল শুরু হয়ে বঙ্গবন্ধু মুক্তমঞ্চে গিয়ে মিলিত হয়। পরে বঙ্গবন্ধু মুক্তমঞ্চে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় বিক্ষোভ ও সমাবেশে জেলা আওয়ামী লীগ, শ্রমিকলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনের কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমানের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানান এবং আওয়ামী লীগের মত একটি সংগঠন ও এর সভাপতি, সাধারণ সম্পাদককে জড়িয়ে মিথ্যা ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেয়ায় তীব্র প্রতিবাদ জানান।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমান পার্বত্য জেলা নিয়ে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি জেলা আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত হয়ে এখন পাগলের মত আচরণ করছে আর আওয়ামী লীগের ক্ষতি করতে সাংবাদিকদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে সাধারণ জনগণকে বিভ্রান্তিতে ফেলে দিচ্ছে।
প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন- জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. শফিকুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লক্ষীপদ দাশ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক বাহাদুর, ক্য সা প্রু মারমা, সাংগঠনিক সম্পাদক অজিত কান্তি দাশ, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি অমল কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক সামসুল ইসলাম প্রমুখ।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (২৩ মে) দুপুরে বান্দরবান সদরের একটি রেস্টুরেন্টে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের আয়োজনে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমান বান্দরবান জেলায় সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিনের নৈরাজ্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং সন্ত্রাসীদের কোনো ছাড় দেয়া হবে না উল্লেখ করে অবিলম্বে যৌথবাহিনীর অভিযান আরও জোরালো করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান। এসময় মজিবর রহমান সাম্প্রতিক উপজেলা নির্বাচনে বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রভাব বিস্তার খাটানোর পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে মারধর ও মামলা দেয়াসহ বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত হয়েছে বলে বক্তব্য দেন।





