ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতীয় মর্টারশেল পড়ার ঘটনায় বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) চুয়াডাঙ্গার জীবননগর বেনীপুর ডিসপোর্ট মাঠে উভয় দেশের সীমান্তে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে শনিবার ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে একটি অবিস্ফোরিত ভারতীয় মর্টারশেল পাওয়া যায়। এ ঘটনায় বিজিবি তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানালে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) দুঃখ প্রকাশ করে। তবে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হলে অসম্মতি জানায় বিএসএফ।
বৈঠকে মহেশপুর ৫৮ বিজিবির পরিচালক লে. কর্নেল শাহ মো. আজিমুস শহিদের নেতৃত্বে বাংলাদেশের পক্ষে ২০ জন আর বিএসএফের ৩৫ থেকে ৪০ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে লে. কর্নেল শাহ মো. আজিমুস শহিদ, পরবর্তীতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে বিএসএফের প্রতি আহ্বান জানান। এ ছাড়া বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে পারস্পরিক শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখাসহ মাদক এবং চোরাচালান বন্ধে একে অপরকে সহযোগিতার বিষয়ে অঙ্গীকার করা হয়।
গত শনিবার বিজিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে একটি অবিস্ফোরিত ভারতীয় মর্টারশেল পাওয়া যায়। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর মোবাইল ফোনে বিএসএফকে বিষয়টি জানানো হয়। প্রথমে বিএসএফ বিষয়টি অস্বীকার করে। পরে মর্টার সেলের তথ্য–উপাত্ত ও ভিডিও পাঠানো হয়। তখন বিএসএফের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কয়েক দিন আগে ভারতের অভ্যন্তরে একটি গ্রামে মর্টারশেলের আলোয় আলোকিত করা হয়। এর মধ্যে একটি মর্টারশেল দেশটির এক কৃষকের উঠানে পড়লে আতঙ্কের সৃষ্টি হয় যা ভারতীয় মিডিয়ায় প্রকাশ হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ ঘটনায় বিজিবি প্রতিবাদ জানালে বিএসএফ দুঃখ প্রকাশ করে। সেই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করে।





