প্রেমের বিয়ে পরিবার মেনে না নেয়ায় অভিমানে কলেজছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীর বার্লিংটন এলাকায় বাবার বাড়িতে নিজ ঘরে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করে ওই কলেজছাত্রী।
কলেজছাত্রীর নাম রহিমা খাতুন মুক্তা (২০)। তিনি নোয়াখালী পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের মাইজদী বালিংটন মোড় সেন্ট্রাল রোডের বাসিন্দা আনিসুল হকের মেয়ে এবং নোয়াখালী মহিলা কলেজের ডিগ্রী প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
জানা গেছে, মুঠোফোনে পরিচয় থেকে দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক ছিল লক্ষ্মীপুরের ইব্রাহীম হৃদয়ের (২৪) সঙ্গে নোয়াখালীর রহিমা খাতুন মুক্তার। সেই প্রেম থেকে ২০২২ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। কিন্তু তাদের বিয়ে মেনে নিতে রাজি নয় শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এ ঘটনায় নিজের মায়ের সঙ্গে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে মুক্তা।
স্থানীয়রা বাসিন্দা জানান, মুক্তার সঙ্গে হৃদয়ের মুঠোফোনে সম্পর্ক হয়। দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পরিনতিতে ২০২২ সালে বিয়ে করে তারা। কিন্তু ইব্রাহীমের পরিবার মেনে নিচ্ছে না, এ নিয়ে মায়ের সঙ্গে মুক্তার কথা কাটাকাটি হয়। সেই অভিমান থেকে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেন মুক্তা।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মীর জায়েদুল হক রনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।





