খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) থেকে ধর্ষণের শিকার এক নারীকে অপহরণের অভিযোগ ওঠার ৫ ঘণ্টা পর মুখ খুলল পুলিশ। তাদের দাবি, সেই নারীকে অপহরণ করা হয়নি।
এ ঘটনায় আটক খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার রুদাঘরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ তৌহিদুজ্জামানকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।
গত শনিবার রাতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি হন এক নারী। সেই নারীর অভিযোগ তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। রবিবার বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে সেই নারী ও তার মাকে জোর করে মাইক্রোবাসে করে নিয়ে যান কয়েকজন ব্যক্তি। এ সময় উপস্থিত সেখানে উপস্থিত মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিকদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেন তারা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সিনেমার কায়দায় সেই নারী ও তার মাকে তুলে নিয়ে যায় সেই ব্যক্তিরা।
এ ঘটনার প্রায় ৫ ঘণ্টা পর সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় ভুক্তভোগী নারীকে নিয়ে আসে পুলিশ। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মোঃ আমিনুল ইসলাম দাবি করেন, অপহরনের কোন ঘটনা হয়নি।
আমিনুল বলেন, ‘মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিকদের কাছ থেকে অপহরনের অভিযোগ পাবার পর ভিকটিমের পরিবারেরর সাথে যোগাযোগ করে তাদের থানায় নিয়ে আসা হয়। তারা বলেছে কোন অপহরনের কোন ঘটনা ঘটেনি।’
এ সময় সাংবাদিকরা ধর্ষণের শিকার নারীর সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি অসুস্থ, আমি সুস্থ হয়ে বিস্তারিত জানাবো।’





