Thursday, 3 September 2026
শিরোনাম
জেলার খবর

ট্রেনে বেড়েছে অজ্ঞান ও মলম পার্টির দৌরাত্ম্য,সর্বস্ব হারাচ্ছেন অনেকেই

admin • 01 Jun 2024, 05:10 PM • পঠিত 2 বার
শেয়ার করুন:
ট্রেনে বেড়েছে অজ্ঞান ও মলম পার্টির দৌরাত্ম্য,সর্বস্ব হারাচ্ছেন অনেকেই

সাম্প্রতি পঞ্চগড়-ঢাকা রেলপথে বেড়েছে অজ্ঞান ও মলম পার্টির খপ্পর।প্রতিনিয়তায় সর্বস্ব হারাছে ট্রেনের যাত্রীরা। পঞ্চগড়ে এক দিনের ব্যবধানে ট্রেনে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে দুই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিকতার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যেকের কাছ থেকে মানিব্যাগ ও মোবাইল খোয়া গেছে।

পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশন সুত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে পঞ্চগড়ের উদ্দেশে ছেড়ে আসা দ্রুতযান এক্সপ্রেস পঞ্চগড়ে স্টেশন পৌঁছালে একটি কামরা থেকে অচেতন অবস্থায় আব্দুর রশিদ (৫৫) মানে এক যাত্রীকে উদ্ধার করেছে জিআরপি পুলিশ। পরে পুলিশের সহায়তা তাঁকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ।

ভুক্তভোগী আব্দুর রশিদ কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার বাসিন্দা। তিনি ব্যবসায়িক কাজে কুষ্টিয়া থেকে পঞ্চগড় আসছিলেন। পার্বতীপুর থেকে পঞ্চগড় উদ্দেশ্যে দ্রুতযান এক্সপ্রেস এ উঠার পরেই সেতাবগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন আসলে এক লোকের খপ্পরে পড়ে কলা খেয়ে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকেন বলেন জানান তিনি।

এরআগে মঙ্গলবার সকালে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেসে পঞ্চগড় স্টেশনে পৌছালে অচেতন অবস্থায় সেদিনেও ট্রেনের কামরা থেকে একজনকে উদ্ধার করেছে ট্রেনে ডিউটিরত জিআরপি পুলিশ। পড়ে আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে ওই ব্যক্তির পরিচয় পাওয়ার আগেই তিনি কিছুটা সুস্থ হলে বুধবার কাউকে কিছু না বলেই হাসপাতাল ছেড়ে চলে গেছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

ভুক্তভোগীরা জানায়, স্টেশনে অজ্ঞানপার্টির সদস্যরা ওঁতপেতে থাকে, ট্রেন স্টেশন ছাড়ার পর যাত্রীদের সাথে ভালো সম্পর্ক তৈরি করে, নানা ধরনের গল্প করতে শুরু করে। এক পর্যায়ে তাদের সাথে থাকা খাবার খেতে দেয় যাত্রীদের। খাবার খাওয়ার পড়েই অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকে যাত্রীরা। এরপরে সর্বস্ব কেড়ে নেয় অজ্ঞান পার্টি সদস্যরা। প্রতিমাসেই ট্রেন থেকে অজ্ঞানপার্টির খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব হারাচ্ছেন বলে জানা গেছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার মাসুদ পারভেজ বলেন, গত দুই দিন দুইটি আলাদা ট্রেনে দুইজনকে যাত্রীকে ট্রেন থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ট্রেনে যাতায়াত করা যাত্রীদের উদ্দেশে বারবার মাইকিং করে ঘোষণা দেওয়া হয়, অপরিচিত কারও দেওয়া কিছু না খেতে।

এদিকে রেলওয়ে পুলিশের দিনাজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বলেন, আমরা যাত্রীদের সচেতন থাকতে বারবার মাইকিং করছি। তারপরও কিছু যাত্রী না বুঝে অন্যের দেওয়া খাবার খাচ্ছেন। ট্রেনযাত্রা নিরাপদ করতে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে। তবে যাত্রীদেরও সচেতন হতে হবে। উল্লেখ্য পঞ্চগড় - ঢাকা দেশের সবচেয়ে বড় রেল রুটে যাত্রীসেবা কমেছে ।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।