জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় যৌতুকের দাবিতে হ্যাপী আক্তার (২৬) নামে এক গৃহবধূকে নির্যাতন করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামী মনির হোসেন (২৮) ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ওই গৃহবধূ মেলান্দহ থানায় অভিযোগ করেছেন। হ্যাপী আক্তার উপজেলার দুরমুঠ ইউনিয়নের সরুসিলা গ্রামের মৃত আব্বাস আলীর মেয়ে। অভিযুক্তরা হলেন মনির হোসেন (২৮),তারা মিয়া, মনোয়ারা বেগম (৫০),আঃ হাকিম রনি (২৬)।
নির্যাতনের পর শশুর বাড়ির লোকজন ভুক্তভোগী নারীকে বাড়ি থেকে বের করে ঘরে তালা দিয়ে গা-ঢাকা দিয়েছে। অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, চার বছরের প্রেমের সম্পর্কের পরিনয়ে আড়াই বছর পূর্বে মেলান্দহ পৌর শহরের মুসলিমনগর এলাকার মো. তারা মিয়ার ছেলে মনির হোসেনের সাথে ভুক্তভোগী হ্যাপী আক্তারের বিয়ে হয়।
বিয়ের সময় মেয়ের সুখের কথা ভেবে নগদ আড়াই লাখ টাকা ও তিন লাখ টাকার আসবাবপত্র যৌতুক হিসেবে মেয়ে জামাইকে দেন ওই গৃহবধূর পরিবার।
ওই দম্পতির ঘরে দেড় বছরের এক ছেলে সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন সময় নানান কারন দেখিয়ে যৌতুকের দাবিতে হ্যাপী আক্তারকে নির্যাতন করতো তার স্বামী। গত মঙ্গলবার (১৮জুলাই) দিবাগত রাত ১ ঘটিকার সময় ছয় লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করে তার স্বামী ও শুশুর বাড়ীর লোকজন।
পরে যৌতুকের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে ওই গৃহবধুকে কিল ঘুষি সহ লাঠি দ্বারা আঘাত করে শারীরিক নির্যাতন করে তারা। পরে ভুক্তভোগী হ্যাপী আক্তারের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে। রাতেই অভিযুক্তরা হ্যাপী আক্তারকে বাড়ি থেকে বের করে দেয় বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য অভিযুক্তদের বাড়িতে গেলে তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন বলেন, নির্যাতনের ঘটনায় ভুক্তভোগী মেয়েটি অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





