ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে নিহত জামালপুরের ১৩ শহীদ পরিবারের মাঝে আর্থিক অনুদান দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জামালপুর জেলা শাখা। এ ছাড়া আহতদের চিকিৎসার বিষয়ে সহযোগিতা করা হবে বলেও ঘোষণা দেওয়া হয়।
এসময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিনিয়র নায়েবে আমির সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের ওপর বন্যার ভয়াবহতা চলছে। একদিকে আমাদের ছাত্র-জনতা শহীদ হয়েছে, আহত হয়েছে, তাদের পাশে আমরা দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। একই সঙ্গে ভারত হঠাৎ করে গেটগুলা খুলে দেয়ার কারণে বন্যার পানিতে লাখ লাখ মানুষ আজ কষ্ট পাচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে বলতে চাই আমরা প্রতিবেশী সুলভ বসবাস করতে চাই, খারাপ কোনো আচরণ চাই না। আমরা চাই ইনসাফের ভিত্তিতে ন্যায়ের ভিত্তিতে বসবাস করতে। জুলুম অত্যাচার করলে পৃথিবীর ইতিহাস সাক্ষী, অনেক বড় বড় দেশও ভেঙে টুকরো হয়ে গেছে। ভারতও খান খান হয়ে যাবে।’
বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে জামালপুর শিল্পকলা একাডেমির বীর মুক্তিযোদ্ধা গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু মিলনায়তনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনে শহীদদের জন্য দোয়া ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে আর্থিক সহায়তা দেয়ার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘অনেকেই দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন চান। মনে হচ্ছে কালকে হোক। এই প্রশাসনকে রেখে নির্বাচন হলে ভালো হবে বলে মনে হয়। যদি নির্বাচনই না হয় আগের কোয়ালিটি না থাকে। এই নির্বাচন আমাদের দরকার নেই।’
জেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির অধ্যাপক মাওলানা মো. খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর ময়মনসিংহ অঞ্চলের পরিচালক ও সাংগঠনিক সম্পাদক ড. ছামিউল হক ফারুকী, জামায়াতে ইসলামী জামালপুর জেলা শাখার সাবেক আমীর আব্দুস সাত্তার, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা নূরুল হক জামালী, সহকারী সেক্রটারি সুলতান মাহমুদ, রাজনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক সভাপতি অধ্যাপক হারুন অর রশীদ।
পরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনে রাজধানীতে নিহত ১৩ জন পরিবারের মাঝে ২ লাখ করে টাকা দেয়া হয়। এ ছাড়া আহতদের চিকিৎসার বিষয়ে সহযোগিতা করা হবে বলে ঘোষণা দেন।





