Tuesday, 22 September 2026
শিরোনাম
ক্যাম্পাস

জাবির দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বহিরাগতদের যৌন হয়রানি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ

• 22 Sep 2026, 03:01 PM • পঠিত 4 বার
শেয়ার করুন:
জাবির দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বহিরাগতদের যৌন হয়রানি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বহিরাগতদের আটকে রেখে হেনস্তা, র‍্যাগিং, যৌন হয়রানি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের এক আত্মীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

 

অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থী হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের ৫৪তম আবর্তনের মাহমুদুল হাসান মুন্না এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৫৪তম আবর্তনের মো. বায়জীদ হোসেন।

 

 

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী দুজনের একজন এসএসসি এবং অন্যজন এইচএসসি পড়ুয়া শিক্ষার্থী। তাদের আত্মীয় মো. মাহফুজুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ৪৬তম আবর্তনের শিক্ষার্থী।

 

 

অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী দুই ভাইবোন ক্যাম্পাসে অবস্থানকালে অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থী তাদের গতিরোধ করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে মুঠোফোন ও মানিব্যাগ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামের পেছনে যেতে বাধ্য করা হয়।

 

 

অভিযোগে আরও বলা হয়, অডিটোরিয়ামের পেছনে নেয়ার পর অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীদের মুঠোফোন তল্লাশি করেন, গালিগালাজ করেন এবং বিষয়টি কাউকে জানালে মারধরের হুমকি দেন। পরে তারা গাঁজার স্টিক তৈরি করে ভুক্তভোগীদের সামনে বসে সেবন করেন।

 

 

একপর্যায়ে আরও কয়েকজন সেখানে এলে ‘তারাও মরবে’ বলে ভয় দেখিয়ে ভুক্তভোগীদের মানিব্যাগ ফেরত না দিয়েই চলে যেতে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

 

ঘটনার বিষয়ে মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘আজকের ঘটনার যারা ভিক্টিম তারা আমার আত্মীয় এবং তারা আমার সাথে জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটির পাশে জামসিং এলাকায় থাকে। আমরা সিসিটিভি ফুটেজে দেখছিলাম যে তারা একজন দাঁড়িয়েছিল আরেকজন ছবি তুলছে। এই সময় দুইজন ছেলে আসে। তারা ওদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার ও গালিগালাজ করে এবং যৌনহেনস্তামূলক কথা বলে। এমনকি ‘উল্টাপাল্টা করলে কিন্তু তোরে মাইরা ফালামু’ বলে হুমকিও দিতে দেখা যায় তাদের। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো এরকম একটা জায়গা নারীদের জন্য এতখানি অনিরাপদ হয়ে উঠবে এটা কোনোভাবে কাম্য নয়।’

 

 

অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার জয় বলেন, ‘আমরা ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখেছি এবং আমরা পুরো বিষয়টাই নিশ্চিত হয়েছি। ভুক্তভোগীরা লিখিত আবেদন করেছেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। এখন এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে নিয়মতান্ত্রিকভাবে যে ব্যবস্থা নেয়ার আমরা সেই ব্যবস্থা নেব।’

 

 

মুন্না ও বায়জীদের বিরুদ্ধে এর আগেও অভিযোগ রয়েছে—এমন দাবির বিষয়ে সহকারী প্রক্টর বলেন, ‘প্রক্টর অফিসে যদি এরকম কোনো ডকুমেন্ট থাকে আমরা খুঁজে বের করব। আজকের অভিযোগের সাথে ওইটাকেও আমরা ট্যাগ করব।’

 

 

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।