চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে বৃহস্পতিবার এক গৃহবধূ চার সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবে প্রসব (নরমাল ডেলিভারি) হওয়া নবজাতকদের একটি ছেলে ও বাকীরা মেয়ে। তবে জন্মের কিছুক্ষণ পর ছেলে শিশুটির মৃত্যু হয়।
এই চার শিশুর জন্ম দিয়েছেন গৃহবধু তাসলিমা খাতুন (৩০)। তাঁকে প্রসূতি ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয়েছে। তাঁর জীবিত তিন নবজাতক চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
প্রসূতি তাসলিমা সদর উপজেলার রাজাপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে। স্বামী ঝিনাইদহ জেলার গাড়াগঞ্জ গ্রামের ইমরান হোসেন। তাঁর স্বামী ও বাবা দুজনই পেশায় ভ্যানচালক।
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘তাসলিমা–ইমরান দম্পিতির এক বছর ৯ মাস বয়সী আগের এক ছেলে সন্তান রয়েছে। আর্থিকভাবে তাঁরা খুবই দুর্বল। মেয়ের পেছনে ইতোমধ্যে অনেক টাকা খরচ হয়ে গেছে। একসাথে তিনটি মেয়ে শিশুর লালনপালন করা তাঁদের জন্য কষ্টকর হবে। আর্থিক সহযোগিতা পেলে তাঁদের এই কষ্ট লাঘব হবে। শিশুদের নাম এখনো রাখা হয়নি।’
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আতাউর রহমান বলেন, ‘গৃহবধূ তাসলিমা গর্ভবতী অবস্থায় চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন। আজ সকালে তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে এসে ভর্তি হন এবং সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চারটি সন্তান প্রসব করেন। এর মধ্যে তিনটি মেয়ে এবং একটি ছেলে সন্তান। ছেলে সন্তানটি অপুষ্ট থাকায় জন্মের কিছুক্ষণ পরই মারা যায়।’
অন্য তিন সন্তান চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছে বলে নিশ্চিত করেন হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক। তিনি বলেন, তাদের মধ্যে এক নবজাতক কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ। গৃববধু তাসলিমাকে প্রসূতি ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয়েছে। তিনি ভালো আছেন।





